অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগকে ‘অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের এমন বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। গ্রাহকেরা একে ভুক্তভোগীদের প্রতি সংবেদনশীলতাহীন আচরণ হিসেবে দেখছেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিভাগটি দাবি করেছে, অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো নিষ্পত্তি করেছে। ফলে এ বিষয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় প্রমাণসহ আবেদন করলে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
তবে বিদ্যুৎ বিভাগের এই ‘স্পষ্টীকরণ’ হিতে বিপরীত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শত শত গ্রাহক তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নেটিজেনদের বড় অংশই বলছেন, বিল নিয়ে ভোগান্তি বাস্তব সমস্যা, অপপ্রচার নয়। অনেক গ্রাহক বিদ্যুৎ বিভাগের এই বক্তব্যকে ‘হুমকি’ হিসেবেও দেখছেন।
শিশির রায় নামের এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘এটি কি স্পষ্টীকরণ নাকি হুমকি?’ অন্য একজন মন্তব্যকারী মাহির ফয়সাল প্রস্তাব দিয়েছেন, জনগণের আস্থা ফেরাতে একটি প্রকাশ্য ড্যাশবোর্ড চালু করা উচিত, যেখানে অভিযোগ এবং তা নিষ্পত্তির সঠিক তথ্য দৃশ্যমান থাকবে।
নোমান আহমদ নামের আরেক গ্রাহক লিখেছেন, “শুধু ‘অপপ্রচার’ বললেই বাস্তব অভিজ্ঞতা মুছে যায় না। যদি সব অভিযোগের সমাধান হয়ে থাকে, তবে তদন্ত প্রতিবেদন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার তথ্য প্রকাশ করা উচিত। জনগণ আশ্বাস নয়, স্বচ্ছতা চায়।”

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগকে ‘অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের এমন বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। গ্রাহকেরা একে ভুক্তভোগীদের প্রতি সংবেদনশীলতাহীন আচরণ হিসেবে দেখছেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিভাগটি দাবি করেছে, অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো নিষ্পত্তি করেছে। ফলে এ বিষয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় প্রমাণসহ আবেদন করলে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
তবে বিদ্যুৎ বিভাগের এই ‘স্পষ্টীকরণ’ হিতে বিপরীত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শত শত গ্রাহক তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নেটিজেনদের বড় অংশই বলছেন, বিল নিয়ে ভোগান্তি বাস্তব সমস্যা, অপপ্রচার নয়। অনেক গ্রাহক বিদ্যুৎ বিভাগের এই বক্তব্যকে ‘হুমকি’ হিসেবেও দেখছেন।
শিশির রায় নামের এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘এটি কি স্পষ্টীকরণ নাকি হুমকি?’ অন্য একজন মন্তব্যকারী মাহির ফয়সাল প্রস্তাব দিয়েছেন, জনগণের আস্থা ফেরাতে একটি প্রকাশ্য ড্যাশবোর্ড চালু করা উচিত, যেখানে অভিযোগ এবং তা নিষ্পত্তির সঠিক তথ্য দৃশ্যমান থাকবে।
নোমান আহমদ নামের আরেক গ্রাহক লিখেছেন, “শুধু ‘অপপ্রচার’ বললেই বাস্তব অভিজ্ঞতা মুছে যায় না। যদি সব অভিযোগের সমাধান হয়ে থাকে, তবে তদন্ত প্রতিবেদন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার তথ্য প্রকাশ করা উচিত। জনগণ আশ্বাস নয়, স্বচ্ছতা চায়।”

আপনার মতামত লিখুন