তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় ও অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানকে জড়িয়ে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন রাজ্যের বিরোধীদলীয় নেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে চেন্নাইয়ের বাসভবন থেকে নাটকীয়ভাবে তাকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের খবর, কাবেরী নদীর পানি বণ্টন ইস্যুতে আয়োজিত এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে গিয়ে শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য করেন উদয়নিধি। ওই সভায় দর্শকদের একাংশ অভিনেত্রী তৃষার নাম ধরে স্লোগান দিলে, উদয়নিধি একটি দ্ব্যর্থবোধক ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কৌতুক করেন। তার এই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।
এই ঘটনায় মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উদয়নিধির বাসভবন ঘিরে ফেলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এরপর তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঞ্জাবুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে, এই মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হয়েছে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক মহল। ক্ষমতাসীন দল টিভিকে-র নেতারা একে ‘নারীদের প্রতি চরম অবমাননা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি ও কংগ্রেসও। বিজেপি নেত্রী তামিলিসাই সুন্দররাজন বলেন, এটি ডিএমকের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনার বহিঃপ্রকাশ।
গ্রেপ্তারের পর উদয়নিধি স্ট্যালিন অবশ্য তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নিতেই সরকার এই হয়রানিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। আমি যা বলিনি, তার দায় আমার ওপর চাপানো হচ্ছে।’
ইতিমধ্যেই মাদ্রাজ হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন এই ডিএমকে নেতা। আজ বিকেলেই সেই আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় ও অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানকে জড়িয়ে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন রাজ্যের বিরোধীদলীয় নেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে চেন্নাইয়ের বাসভবন থেকে নাটকীয়ভাবে তাকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের খবর, কাবেরী নদীর পানি বণ্টন ইস্যুতে আয়োজিত এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে গিয়ে শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য করেন উদয়নিধি। ওই সভায় দর্শকদের একাংশ অভিনেত্রী তৃষার নাম ধরে স্লোগান দিলে, উদয়নিধি একটি দ্ব্যর্থবোধক ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কৌতুক করেন। তার এই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।
এই ঘটনায় মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উদয়নিধির বাসভবন ঘিরে ফেলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এরপর তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঞ্জাবুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে, এই মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হয়েছে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক মহল। ক্ষমতাসীন দল টিভিকে-র নেতারা একে ‘নারীদের প্রতি চরম অবমাননা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি ও কংগ্রেসও। বিজেপি নেত্রী তামিলিসাই সুন্দররাজন বলেন, এটি ডিএমকের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনার বহিঃপ্রকাশ।
গ্রেপ্তারের পর উদয়নিধি স্ট্যালিন অবশ্য তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নিতেই সরকার এই হয়রানিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। আমি যা বলিনি, তার দায় আমার ওপর চাপানো হচ্ছে।’
ইতিমধ্যেই মাদ্রাজ হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন এই ডিএমকে নেতা। আজ বিকেলেই সেই আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন