কৃপণতার হাস্যরসাত্মক গল্প নিয়ে নির্মিত বিশেষ টেলিফিল্ম ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হবে। রাজীব মণি দাসের রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন পলাশ মণি দাস।
টেলিফিল্মের বিভিন্ন
চরিত্রে অভিনয় করেছেন এ কে এম হাসান, রেজমিন সেতু, শফিক খান দিলু, সায়কা আহমেদ, তারিক
স্বপন, তাবাসসুম মিথিলা, ফরিদ হোসাইনসহ আরও অনেকে।
টেলিফিল্মটি প্রসঙ্গে
পরিচালক পলাশ মণি দাস বলেন, “কথায় আছে, কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না। ঠিক তেমনি কৃপণ মানুষ
যতই সম্পদের মালিক হোক না কেন, সেই সম্পদ ভোগ করতে পারে না। অতিরিক্ত অর্থলোভ আর কৃপণতা
মানুষকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, সেটিই হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”
নাট্যকার রাজীব
মণি দাস বলেন, “কৃপণতাকে কেন্দ্র করে আগে অনেক নাটক নির্মিত হয়েছে। তবে ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’-এ
দর্শক ভিন্ন ধরনের গল্প দেখতে পাবেন। আমি সবসময় গল্পে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করি, এখানেও
তার ব্যতিক্রম হয়নি।”
টেলিফিল্মের গল্পে
দেখা যায়, দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে আসে সামির। পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয় আলিয়ার
সঙ্গে। বিদেশফেরত ও অর্থবান পাত্র হিসেবে সামিরকে আদর্শ মনে করলেও বিয়ের পরই প্রকাশ
পেতে থাকে তার চরম কৃপণ স্বভাব।
সংসারের প্রতিটি
খরচে অদ্ভুত সব হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত থাকে সামির। রান্নায় কয়েক ফোঁটা তেলের বেশি ব্যবহার
করতেও তার আপত্তি। এমনকি একটি সাবান চার টুকরো করে ভাগ করে ব্যবহার করার নির্দেশ দেয়
পরিবারের সদস্যদের। অতিথি এলে খরচ বাড়বে—এই আশঙ্কায় বিরক্তিও প্রকাশ করে সে।
নিজের সব সঞ্চয়
‘সোনা মিয়া ব্যাংক’-এ ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখে সামির। কিন্তু হঠাৎ খবর আসে, ব্যাংকটি
দেউলিয়া হয়ে গেছে। সেই সংবাদ শুনে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে সে। এরপর ঘটতে থাকে একের পর এক
হাস্যরসাত্মক ও নাটকীয় ঘটনা, যা দর্শকদের জন্য ভিন্নধর্মী বিনোদনের আবহ তৈরি করবে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
কৃপণতার হাস্যরসাত্মক গল্প নিয়ে নির্মিত বিশেষ টেলিফিল্ম ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হবে। রাজীব মণি দাসের রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন পলাশ মণি দাস।
টেলিফিল্মের বিভিন্ন
চরিত্রে অভিনয় করেছেন এ কে এম হাসান, রেজমিন সেতু, শফিক খান দিলু, সায়কা আহমেদ, তারিক
স্বপন, তাবাসসুম মিথিলা, ফরিদ হোসাইনসহ আরও অনেকে।
টেলিফিল্মটি প্রসঙ্গে
পরিচালক পলাশ মণি দাস বলেন, “কথায় আছে, কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না। ঠিক তেমনি কৃপণ মানুষ
যতই সম্পদের মালিক হোক না কেন, সেই সম্পদ ভোগ করতে পারে না। অতিরিক্ত অর্থলোভ আর কৃপণতা
মানুষকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, সেটিই হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”
নাট্যকার রাজীব
মণি দাস বলেন, “কৃপণতাকে কেন্দ্র করে আগে অনেক নাটক নির্মিত হয়েছে। তবে ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’-এ
দর্শক ভিন্ন ধরনের গল্প দেখতে পাবেন। আমি সবসময় গল্পে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করি, এখানেও
তার ব্যতিক্রম হয়নি।”
টেলিফিল্মের গল্পে
দেখা যায়, দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে আসে সামির। পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয় আলিয়ার
সঙ্গে। বিদেশফেরত ও অর্থবান পাত্র হিসেবে সামিরকে আদর্শ মনে করলেও বিয়ের পরই প্রকাশ
পেতে থাকে তার চরম কৃপণ স্বভাব।
সংসারের প্রতিটি
খরচে অদ্ভুত সব হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত থাকে সামির। রান্নায় কয়েক ফোঁটা তেলের বেশি ব্যবহার
করতেও তার আপত্তি। এমনকি একটি সাবান চার টুকরো করে ভাগ করে ব্যবহার করার নির্দেশ দেয়
পরিবারের সদস্যদের। অতিথি এলে খরচ বাড়বে—এই আশঙ্কায় বিরক্তিও প্রকাশ করে সে।
নিজের সব সঞ্চয়
‘সোনা মিয়া ব্যাংক’-এ ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখে সামির। কিন্তু হঠাৎ খবর আসে, ব্যাংকটি
দেউলিয়া হয়ে গেছে। সেই সংবাদ শুনে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে সে। এরপর ঘটতে থাকে একের পর এক
হাস্যরসাত্মক ও নাটকীয় ঘটনা, যা দর্শকদের জন্য ভিন্নধর্মী বিনোদনের আবহ তৈরি করবে।

আপনার মতামত লিখুন