কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় ছয় বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বেশোয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে শিশুটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে শিশুটি বাড়ির পাশের রাস্তায় খেলছিল। এ সময় তার বাবা-মা নিকটস্থ একটি বিলে পাট ধোয়ার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এই সুযোগে প্রতিবেশী সৈকত শেখ (১৫) শিশুটিকে তার বাবা-মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পাশের রাজবাড়ী জেলার পাংশা সীমান্তসংলগ্ন একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়।
অভিযোগ উঠেছে, সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায় সৈকত। ঘটনা ধামাচাপা দিতে পরে সে শিশুটিকে পটেটো চিপস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখায় এবং কান্নাকাটি করতে নিষেধ করে। শিশুটিকে তার মায়ের কাছে পৌঁছে দিলে সে সব ঘটনা খুলে বলে এবং বুকে ও তলপেটে তীব্র ব্যথার কথা জানায়।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনেরা দ্রুত তাকে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে (মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। অভিযুক্ত সৈকত শেখ বেশোয়া গ্রামের গ্রাম পুলিশ এরশাদ শেখের ছেলে।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন বলেন, "ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলেই দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় ছয় বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বেশোয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে শিশুটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে শিশুটি বাড়ির পাশের রাস্তায় খেলছিল। এ সময় তার বাবা-মা নিকটস্থ একটি বিলে পাট ধোয়ার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এই সুযোগে প্রতিবেশী সৈকত শেখ (১৫) শিশুটিকে তার বাবা-মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পাশের রাজবাড়ী জেলার পাংশা সীমান্তসংলগ্ন একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়।
অভিযোগ উঠেছে, সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায় সৈকত। ঘটনা ধামাচাপা দিতে পরে সে শিশুটিকে পটেটো চিপস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখায় এবং কান্নাকাটি করতে নিষেধ করে। শিশুটিকে তার মায়ের কাছে পৌঁছে দিলে সে সব ঘটনা খুলে বলে এবং বুকে ও তলপেটে তীব্র ব্যথার কথা জানায়।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনেরা দ্রুত তাকে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে (মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। অভিযুক্ত সৈকত শেখ বেশোয়া গ্রামের গ্রাম পুলিশ এরশাদ শেখের ছেলে।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন বলেন, "ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলেই দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন