কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ‘ক’ শাখার শিক্ষার্থী ছিল ইসায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় তার নাম লেখা রয়েছে ‘ইসায়াত শাহরিয়ার’ নামে। বিদ্যালয়ে তার শ্রেণি রোল নং- ২৯ এবং আইডি নম্বর ২৫৬০০৭।
বিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ১, ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর মোট তিনদিন অনুপস্থিত ছিল অপ্রতিম। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সে বিদ্যালয়ে এসেছিল। এরপর শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পর আর স্কুলে ফেরা হয়নি তার।
এদিকে, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় খোলার দিনে যথারীতি হাজিরা নেয়া হলেও হাজিরা খাতায় অপ্রতিমের নামের পাশে পড়েছে অনুপস্থিতির চিহ্ন। অথচ শ্রেণিকক্ষে তার জায়গাটি আজ ফাঁকা। সহপাঠীদের ভিড়েও নেই পরিচিত মুখটি।
স্কুলের শ্রেণিশিক্ষক মহিবুল্লাহ জানান, বৃহস্পতিবারই সর্বশেষ বিদ্যালয়ে এসেছিল অপ্রতিম। শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন শিক্ষক ও সহপাঠীরা। কিন্তু সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে। আজ জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে, এমন বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না তার শিক্ষক ও সহপাঠীরা।
কয়েকদিন আগেও যে শ্রেণিকক্ষে সহপাঠীদের সঙ্গে বসেছিল অপ্রতীম, আজ সেই শ্রেণিকক্ষেই তার শূন্যতা যেন আরও স্পষ্ট। হাজিরা খাতায় নামটি থাকলেও শ্রেণিকক্ষে আর ফিরবে না প্রিয় সহপাঠী অপ্রতীম।প্রসঙ্গত, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে কুবির সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতিমের আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
মরদেহের সুরতহালকারী পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানেও আঘাতের চিহ্ন ছিল।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ‘ক’ শাখার শিক্ষার্থী ছিল ইসায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় তার নাম লেখা রয়েছে ‘ইসায়াত শাহরিয়ার’ নামে। বিদ্যালয়ে তার শ্রেণি রোল নং- ২৯ এবং আইডি নম্বর ২৫৬০০৭।
বিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ১, ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর মোট তিনদিন অনুপস্থিত ছিল অপ্রতিম। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সে বিদ্যালয়ে এসেছিল। এরপর শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পর আর স্কুলে ফেরা হয়নি তার।
এদিকে, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় খোলার দিনে যথারীতি হাজিরা নেয়া হলেও হাজিরা খাতায় অপ্রতিমের নামের পাশে পড়েছে অনুপস্থিতির চিহ্ন। অথচ শ্রেণিকক্ষে তার জায়গাটি আজ ফাঁকা। সহপাঠীদের ভিড়েও নেই পরিচিত মুখটি।
স্কুলের শ্রেণিশিক্ষক মহিবুল্লাহ জানান, বৃহস্পতিবারই সর্বশেষ বিদ্যালয়ে এসেছিল অপ্রতিম। শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন শিক্ষক ও সহপাঠীরা। কিন্তু সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে। আজ জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে, এমন বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না তার শিক্ষক ও সহপাঠীরা।
কয়েকদিন আগেও যে শ্রেণিকক্ষে সহপাঠীদের সঙ্গে বসেছিল অপ্রতীম, আজ সেই শ্রেণিকক্ষেই তার শূন্যতা যেন আরও স্পষ্ট। হাজিরা খাতায় নামটি থাকলেও শ্রেণিকক্ষে আর ফিরবে না প্রিয় সহপাঠী অপ্রতীম।প্রসঙ্গত, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে কুবির সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতিমের আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
মরদেহের সুরতহালকারী পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানেও আঘাতের চিহ্ন ছিল।

আপনার মতামত লিখুন