জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে জারি করা ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী, এখন থেকে এলাকাভেদে শব্দের নির্দিষ্ট মানমাত্রা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিধিমালা অমান্য করলে ট্রাফিক সার্জেন্ট বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলেই শাস্তি প্রদান করতে পারবেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শব্দদূষণ মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। নতুন বিধিমালায় এলাকাভিত্তিক শব্দের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে নীরব এলাকায় শব্দের মানমাত্রা ৪০ ডেসিবল এবং শিল্প এলাকায় সর্বোচ্চ ৭৫ ডেসিবল নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিচে গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত বিধি-নিষেধগুলো তুলে ধরা হলো:
সরকারের এই নতুন উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।
\

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে জারি করা ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী, এখন থেকে এলাকাভেদে শব্দের নির্দিষ্ট মানমাত্রা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিধিমালা অমান্য করলে ট্রাফিক সার্জেন্ট বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলেই শাস্তি প্রদান করতে পারবেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শব্দদূষণ মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। নতুন বিধিমালায় এলাকাভিত্তিক শব্দের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে নীরব এলাকায় শব্দের মানমাত্রা ৪০ ডেসিবল এবং শিল্প এলাকায় সর্বোচ্চ ৭৫ ডেসিবল নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিচে গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত বিধি-নিষেধগুলো তুলে ধরা হলো:
সরকারের এই নতুন উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।
\

আপনার মতামত লিখুন