সংবাদ

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারের গণবিজ্ঞপ্তি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৬ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারের গণবিজ্ঞপ্তি
ছবি : সংগৃহীত

জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে জারি করা ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী, এখন থেকে এলাকাভেদে শব্দের নির্দিষ্ট মানমাত্রা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিধিমালা অমান্য করলে ট্রাফিক সার্জেন্ট বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলেই শাস্তি প্রদান করতে পারবেন। 

পরিবেশ অধিদপ্তরের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শব্দদূষণ মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। নতুন বিধিমালায় এলাকাভিত্তিক শব্দের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে নীরব এলাকায় শব্দের মানমাত্রা ৪০ ডেসিবল এবং শিল্প এলাকায় সর্বোচ্চ ৭৫ ডেসিবল নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিচে গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত বিধি-নিষেধগুলো তুলে ধরা হলো:

  • উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী কোনো যন্ত্রপাতি বা কর্মকাণ্ড বিধিমালায় উল্লিখিত শব্দের সর্বোচ্চ মানমাত্রা অতিক্রম করা যাবে না। 
  • কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতীত পাবলিক প্লেসে বা জনপরিসরে উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলেও তা শব্দের মাত্রা ৯০ ডেসিবল, সর্বোচ্চ ৫ ঘণ্টার অধিক ও রাত্রিকাল ১১:০০ ঘটিকা অতিক্রম করবে না।
  • বিধিমালায় উল্লিখিত সর্বোচ্চ মানমাত্রা অতিক্রমকারী কোনো ধরণের হর্ন প্রস্তুত, আমদানি, মজুদ, বিক্রয়, প্রদর্শন, বিতরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও ব্যবহার করা যাবে না।
  • নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষেধ এবং পটকা, আতশবাজিসহ কোন ধরণের শব্দদূষণ করা যাবে না।
  • আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা হতে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো যাবে না।
  • প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বনভোজন নিষিদ্ধ এবং উচ্চ শব্দ উৎপন্ন করে এমন শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।
  • আবাসিক এলাকার শেষ সীমানা হতে ৫০০ মিটারের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা হতে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার বা পরিচালনা করা যাবে না।
  • ট্রাফিক সার্জেন্ট বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তার সম্মুখে কোনো শব্দদূষণ হলে উক্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই শাস্তি প্রদান করতে পারবেন ।

সরকারের এই নতুন উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬


জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারের গণবিজ্ঞপ্তি

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে জারি করা ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী, এখন থেকে এলাকাভেদে শব্দের নির্দিষ্ট মানমাত্রা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিধিমালা অমান্য করলে ট্রাফিক সার্জেন্ট বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলেই শাস্তি প্রদান করতে পারবেন। 

পরিবেশ অধিদপ্তরের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শব্দদূষণ মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। নতুন বিধিমালায় এলাকাভিত্তিক শব্দের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে নীরব এলাকায় শব্দের মানমাত্রা ৪০ ডেসিবল এবং শিল্প এলাকায় সর্বোচ্চ ৭৫ ডেসিবল নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিচে গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত বিধি-নিষেধগুলো তুলে ধরা হলো:

  • উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী কোনো যন্ত্রপাতি বা কর্মকাণ্ড বিধিমালায় উল্লিখিত শব্দের সর্বোচ্চ মানমাত্রা অতিক্রম করা যাবে না। 
  • কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতীত পাবলিক প্লেসে বা জনপরিসরে উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলেও তা শব্দের মাত্রা ৯০ ডেসিবল, সর্বোচ্চ ৫ ঘণ্টার অধিক ও রাত্রিকাল ১১:০০ ঘটিকা অতিক্রম করবে না।
  • বিধিমালায় উল্লিখিত সর্বোচ্চ মানমাত্রা অতিক্রমকারী কোনো ধরণের হর্ন প্রস্তুত, আমদানি, মজুদ, বিক্রয়, প্রদর্শন, বিতরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও ব্যবহার করা যাবে না।
  • নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষেধ এবং পটকা, আতশবাজিসহ কোন ধরণের শব্দদূষণ করা যাবে না।
  • আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা হতে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো যাবে না।
  • প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বনভোজন নিষিদ্ধ এবং উচ্চ শব্দ উৎপন্ন করে এমন শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।
  • আবাসিক এলাকার শেষ সীমানা হতে ৫০০ মিটারের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা হতে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার বা পরিচালনা করা যাবে না।
  • ট্রাফিক সার্জেন্ট বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তার সম্মুখে কোনো শব্দদূষণ হলে উক্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই শাস্তি প্রদান করতে পারবেন ।

সরকারের এই নতুন উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত