দেশে গ্যাস উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে বর্তমানে ২ হাজার ৬০০ দশমিক ১ মিলিয়ন ঘনফুটে (এমএমসিএফডি) পৌঁছেছে।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টার হিসাবে এই তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পেট্রোবাংলার দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন ও বিতরণ প্রতিবেদনে এই চিত্র দেখা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১১৯টি কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন চলছে। এসব কূপের দৈনিক মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৩ হাজার ৮৫৪ এমএমসিএফডি হলেও তার বিপরীতে বর্তমানে ২ হাজার ৬০০ দশমিক ১ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলো (আইওসি) সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করেছে। ৪৩টি চালু কূপ থেকে ১ হাজার ৬১৫ এমএমসিএফডি ক্ষমতার বিপরীতে ৮৯১ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদিত হয়েছে।
অন্যান্য দেশীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) তাদের ৪৪টি কূপ থেকে ৪৮২ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি গ্যাস তুলে এনেছে। এর মধ্যে তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে সর্বোচ্চ ৩২৯ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি, হবিগঞ্জ থেকে ১০০ দশমিক ১, বাখরাবাদ থেকে ২৬ দশমিক ৪, নরসিংদী থেকে ২২ দশমিক ২ এবং মেঘনা গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৪ দশমিক ২ এমএমসিএফডি গ্যাস পাওয়া গেছে।
এছাড়া সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল) ১৭টি কূপ থেকে ১৪০ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি এবং বাপেক্স তাদের ১৫টি কূপ থেকে ১০৩ দশমিক ৭ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদন করেছে।
পাশাপাশি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) এলএনজি আমদানির মাধ্যমে ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি সরবরাহের ক্ষমতার বিপরীতে ৯৮২ দশমিক ১ এমএমসিএফডি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করেছে, যা দেশের মোট গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ।
একই সময়ে দেশজুড়ে গ্যাসের পাশাপাশি মোট ৫ হাজার ৬৯৫ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়েছে, যার সিংহভাগ অর্থাৎ ৪ হাজার ৬৪৯ দশমিক ৭ ব্যারেল এসেছে আইওসি পরিচালিত গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে গ্যাস উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে বর্তমানে ২ হাজার ৬০০ দশমিক ১ মিলিয়ন ঘনফুটে (এমএমসিএফডি) পৌঁছেছে।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টার হিসাবে এই তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পেট্রোবাংলার দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন ও বিতরণ প্রতিবেদনে এই চিত্র দেখা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১১৯টি কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন চলছে। এসব কূপের দৈনিক মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৩ হাজার ৮৫৪ এমএমসিএফডি হলেও তার বিপরীতে বর্তমানে ২ হাজার ৬০০ দশমিক ১ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলো (আইওসি) সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করেছে। ৪৩টি চালু কূপ থেকে ১ হাজার ৬১৫ এমএমসিএফডি ক্ষমতার বিপরীতে ৮৯১ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদিত হয়েছে।
অন্যান্য দেশীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) তাদের ৪৪টি কূপ থেকে ৪৮২ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি গ্যাস তুলে এনেছে। এর মধ্যে তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে সর্বোচ্চ ৩২৯ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি, হবিগঞ্জ থেকে ১০০ দশমিক ১, বাখরাবাদ থেকে ২৬ দশমিক ৪, নরসিংদী থেকে ২২ দশমিক ২ এবং মেঘনা গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৪ দশমিক ২ এমএমসিএফডি গ্যাস পাওয়া গেছে।
এছাড়া সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল) ১৭টি কূপ থেকে ১৪০ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি এবং বাপেক্স তাদের ১৫টি কূপ থেকে ১০৩ দশমিক ৭ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদন করেছে।
পাশাপাশি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) এলএনজি আমদানির মাধ্যমে ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি সরবরাহের ক্ষমতার বিপরীতে ৯৮২ দশমিক ১ এমএমসিএফডি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করেছে, যা দেশের মোট গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ।
একই সময়ে দেশজুড়ে গ্যাসের পাশাপাশি মোট ৫ হাজার ৬৯৫ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়েছে, যার সিংহভাগ অর্থাৎ ৪ হাজার ৬৪৯ দশমিক ৭ ব্যারেল এসেছে আইওসি পরিচালিত গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে।

আপনার মতামত লিখুন