সংবাদ

নিত্যপণ্যের চড়া দামেও মূল্যস্ফীতি কমার দাবি


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৮ এএম

নিত্যপণ্যের চড়া দামেও মূল্যস্ফীতি কমার দাবি
ছবি: সংগৃহীত

গেলো জুলাইয়ে প্রতিটা নিত্যপণ্যের দাম ছিলো বেশ চড়া। সবজি থেকে শুরু করে ডিম, বয়লার, সোনালি মুরগী সব কিছুর দাম বাড়তি ছিলো।  তবুও বিবিএস এর তথ্য বলছে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফিতি কমেছে।  খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই খাতেই মূল্যস্ফিতি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। গত জুনে সার্বিক মূল্যস্ফিতি ছিলো ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফিতি কমেছে ১ দশমিক ১৬ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সেই তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা আগের মাস অর্থাৎ জুলে ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

বিবিএসের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেশি। জুলাইয়ে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আর শহরাঞ্চলে এ হার ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অর্থনীতিতে টেকসই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও ক্রয়ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


নিত্যপণ্যের চড়া দামেও মূল্যস্ফীতি কমার দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গেলো জুলাইয়ে প্রতিটা নিত্যপণ্যের দাম ছিলো বেশ চড়া। সবজি থেকে শুরু করে ডিম, বয়লার, সোনালি মুরগী সব কিছুর দাম বাড়তি ছিলো।  তবুও বিবিএস এর তথ্য বলছে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফিতি কমেছে।  খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই খাতেই মূল্যস্ফিতি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। গত জুনে সার্বিক মূল্যস্ফিতি ছিলো ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফিতি কমেছে ১ দশমিক ১৬ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সেই তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা আগের মাস অর্থাৎ জুলে ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

বিবিএসের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেশি। জুলাইয়ে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আর শহরাঞ্চলে এ হার ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অর্থনীতিতে টেকসই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও ক্রয়ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত