কলম্বিয়ায় শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ২৫০ ছাড়িয়ে গেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এই শক্তিশালী কম্পনের পর দেশজুড়ে শতাধিক আফটারশক (পরবর্তী কম্পন) অনুভূত হয়েছে। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকে আটকে থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও সিএনএন জানায়, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির পেরেইরা ও কালি শহর। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, কফি উৎপাদনকারী অঞ্চল পেরেইরায় ১০১ জন এবং তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া উপকূলীয় চোকো অঞ্চলেও ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবারও দিনভর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলেছে। অনেক জায়গায় উদ্ধারকারীরা যান্ত্রিক সরঞ্জামের পাশাপাশি খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর এ পর্যন্ত ১০০-এর বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, ভূত্বকের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে আরও কয়েক সপ্তাহ বা মাস সময় লাগতে পারে।
দেশের দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মাথায় এই বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে গৃহহীনদের জন্য অর্থনৈতিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিকে কালির মেয়র পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং লুটপাট ঠেকাতে রাতের বেলা কারফিউ জারি করেছেন।
ভূমিকম্পের পর থেকে দুর্গম চোকো অঞ্চলের অনেক এলাকা বিদ্যুৎ, পানি ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক বন্ধ থাকায় উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে। অনেক পরিবার এখনো তাদের নিখোঁজ স্বজনদের অপেক্ষায় ধ্বংসস্তূপের পাশে ভিড় করে আছেন।
\

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
কলম্বিয়ায় শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ২৫০ ছাড়িয়ে গেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এই শক্তিশালী কম্পনের পর দেশজুড়ে শতাধিক আফটারশক (পরবর্তী কম্পন) অনুভূত হয়েছে। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকে আটকে থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও সিএনএন জানায়, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির পেরেইরা ও কালি শহর। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, কফি উৎপাদনকারী অঞ্চল পেরেইরায় ১০১ জন এবং তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া উপকূলীয় চোকো অঞ্চলেও ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবারও দিনভর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলেছে। অনেক জায়গায় উদ্ধারকারীরা যান্ত্রিক সরঞ্জামের পাশাপাশি খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর এ পর্যন্ত ১০০-এর বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, ভূত্বকের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে আরও কয়েক সপ্তাহ বা মাস সময় লাগতে পারে।
দেশের দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মাথায় এই বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে গৃহহীনদের জন্য অর্থনৈতিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিকে কালির মেয়র পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং লুটপাট ঠেকাতে রাতের বেলা কারফিউ জারি করেছেন।
ভূমিকম্পের পর থেকে দুর্গম চোকো অঞ্চলের অনেক এলাকা বিদ্যুৎ, পানি ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক বন্ধ থাকায় উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে। অনেক পরিবার এখনো তাদের নিখোঁজ স্বজনদের অপেক্ষায় ধ্বংসস্তূপের পাশে ভিড় করে আছেন।
\

আপনার মতামত লিখুন