মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মাদক সেবন ও বিক্রির প্রতিবাদ করায় মো. সোলায়মান (৩৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৭-৮ জনের নাম উল্লেখ করে গজারিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আহতের স্বজন মো. শাব্বিরুদ্দিন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভবেরচর ইউনিয়নের ভবেরচর কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা সোলায়মান দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় মাদক কারবারিদের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়।
আহত সোলায়মান জানান, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত আনুমানিক আটটার দিকে ভবেরচর কলেজ রোড এলাকার কলিমউল্লাহ কলেজ মাঠের পাশের একটি দোকানে গেলে তার ওপর হামলা হয়। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ফয়সাল, ইমন, সাফায়েত ও রিফাতসহ ৭-৮ জন দেশীয় অস্ত্র, ধারিলো ছুরি ও লোহার পাইপ নিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলাকারীদের একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় কোপ দিলে সেটি পিঠে গিয়ে লাগে এবং তিনি গুরুতর জখম হন। এ ছাড়া তাকে হকি স্টিক দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়েছে।
সোলায়মানের ছোট ভাই জানান, তার ভাই দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি দেশে ফিরে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে কাজ শুরু করেন। এরই জেরে মাদক কারবারিরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। সোলায়মানের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গজারিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার বিজন বারৈ জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মাদক সেবন ও বিক্রির প্রতিবাদ করায় মো. সোলায়মান (৩৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৭-৮ জনের নাম উল্লেখ করে গজারিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আহতের স্বজন মো. শাব্বিরুদ্দিন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভবেরচর ইউনিয়নের ভবেরচর কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা সোলায়মান দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় মাদক কারবারিদের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়।
আহত সোলায়মান জানান, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত আনুমানিক আটটার দিকে ভবেরচর কলেজ রোড এলাকার কলিমউল্লাহ কলেজ মাঠের পাশের একটি দোকানে গেলে তার ওপর হামলা হয়। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ফয়সাল, ইমন, সাফায়েত ও রিফাতসহ ৭-৮ জন দেশীয় অস্ত্র, ধারিলো ছুরি ও লোহার পাইপ নিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলাকারীদের একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় কোপ দিলে সেটি পিঠে গিয়ে লাগে এবং তিনি গুরুতর জখম হন। এ ছাড়া তাকে হকি স্টিক দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়েছে।
সোলায়মানের ছোট ভাই জানান, তার ভাই দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি দেশে ফিরে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে কাজ শুরু করেন। এরই জেরে মাদক কারবারিরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। সোলায়মানের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গজারিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার বিজন বারৈ জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন