চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে গুলির শব্দে রাজপথ কাঁপানো আলোচিত সমালোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ইকবাল হোসাইনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
ইকবাল হোসাইন ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার। শুধু ইকবাল নয়, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, গোলাম রুহানী, সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও রাজন কুমার দাসেও চাকরি যাচ্ছে। তাদের মধ্যে কেউ পলাতক, কেউ বা অন্য কার্যালয়ে সংযুক্ত।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের উত্তাল সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল একটি ভিডিও। সেখানে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে আবেগভরা কণ্ঠে ইকবাল বলছেন, ‘গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। স্যার, এটাই সবচেয়ে বড় আতঙ্কের বিষয়!’
৪৩ সেকেন্ডের সেই ভিডিওতে ইকবালকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তৎকালীন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাঙ্গীর আলম।
শুধু চাকরি হারিয়েই শেষ নয়, ইকবালের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাও চলছে। জুলাই অভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ীর শিক্ষার্থী ইমাম হাসান তাইমকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনি অন্যতম প্রধান আসামি।
অভিযোগ রয়েছে, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে খুব কাছ থেকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় তাইমকে। তার বন্ধু রাহাতকেও গুলি করা হয়। সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে বিচার চলছে, যেখানে ইকবাল রয়েছেন প্রধান আসামিদের একজন।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে গুলির শব্দে রাজপথ কাঁপানো আলোচিত সমালোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ইকবাল হোসাইনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
ইকবাল হোসাইন ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার। শুধু ইকবাল নয়, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, গোলাম রুহানী, সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও রাজন কুমার দাসেও চাকরি যাচ্ছে। তাদের মধ্যে কেউ পলাতক, কেউ বা অন্য কার্যালয়ে সংযুক্ত।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের উত্তাল সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল একটি ভিডিও। সেখানে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে আবেগভরা কণ্ঠে ইকবাল বলছেন, ‘গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। স্যার, এটাই সবচেয়ে বড় আতঙ্কের বিষয়!’
৪৩ সেকেন্ডের সেই ভিডিওতে ইকবালকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তৎকালীন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাঙ্গীর আলম।
শুধু চাকরি হারিয়েই শেষ নয়, ইকবালের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাও চলছে। জুলাই অভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ীর শিক্ষার্থী ইমাম হাসান তাইমকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনি অন্যতম প্রধান আসামি।
অভিযোগ রয়েছে, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে খুব কাছ থেকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় তাইমকে। তার বন্ধু রাহাতকেও গুলি করা হয়। সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে বিচার চলছে, যেখানে ইকবাল রয়েছেন প্রধান আসামিদের একজন।

আপনার মতামত লিখুন