ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশের জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এর মধ্যে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় মার্কিন একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে।
এছাড়া বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আরও ছয় কার্গো এলএনজি সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই প্রস্তাবগুলো অনুমোদিত হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড থেকে দুই কার্গো এলএনজি প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫.৫০ মার্কিন ডলার দরে এবং ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসি থেকে দুই কার্গো এলএনজি জেকেএম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ ০.৫৪ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনা হবে।
পাশাপাশি হংকংয়ের ঝেনইউ শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকেও ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৪.৯৫ মার্কিন ডলার দরে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গানভর ইউএসএ এলএলসির কাছ থেকে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনা হবে।
এই চুক্তির আওতায় প্রথম তিন বছরে: ২০২৬ সালে ৫ কার্গো, ২০২৭ সালে ৬ কার্গো এবং ২০২৮ সালে ৩ কার্গো, এলএনজি জেকেএম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ ০.০৮৭৫ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনা হবে।
এছাড়া ২০২৮ সালে আরও ৩ কার্গো এবং ২০২৯ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১০ কার্গো করে এলএনজি সরবরাহ করা হবে, যার মূল্য নির্ধারণ করা হবে ১২১ শতাংশ এইচএইচ সূচকের সঙ্গে ৫.২০ মার্কিন ডলার যোগ করে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বৈঠকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় পরিকল্পনা থেকেই এলএনজি আমদানির মাধ্যমে দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশের জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এর মধ্যে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় মার্কিন একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে।
এছাড়া বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আরও ছয় কার্গো এলএনজি সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই প্রস্তাবগুলো অনুমোদিত হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড থেকে দুই কার্গো এলএনজি প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫.৫০ মার্কিন ডলার দরে এবং ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসি থেকে দুই কার্গো এলএনজি জেকেএম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ ০.৫৪ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনা হবে।
পাশাপাশি হংকংয়ের ঝেনইউ শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকেও ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৪.৯৫ মার্কিন ডলার দরে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গানভর ইউএসএ এলএলসির কাছ থেকে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনা হবে।
এই চুক্তির আওতায় প্রথম তিন বছরে: ২০২৬ সালে ৫ কার্গো, ২০২৭ সালে ৬ কার্গো এবং ২০২৮ সালে ৩ কার্গো, এলএনজি জেকেএম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ ০.০৮৭৫ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনা হবে।
এছাড়া ২০২৮ সালে আরও ৩ কার্গো এবং ২০২৯ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১০ কার্গো করে এলএনজি সরবরাহ করা হবে, যার মূল্য নির্ধারণ করা হবে ১২১ শতাংশ এইচএইচ সূচকের সঙ্গে ৫.২০ মার্কিন ডলার যোগ করে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বৈঠকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় পরিকল্পনা থেকেই এলএনজি আমদানির মাধ্যমে দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন