রাজধানীর মঞ্চে আগামীকাল আসছে পালাকার নাট্যদলের নতুন প্রযোজনা ‘এককোটি মনোয়ারা’। বদরুজ্জামান আলমগীরের রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন মীর মেহবুব আলম নাহিদ। আগামীকাল সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন একই সময়ে ও একই মঞ্চে হবে দ্বিতীয় প্রদর্শনী।
ব্যক্তি, রাষ্ট্র,
ন্যায়বিচার, স্মৃতি, মাতৃত্ব, প্রতিরোধ এবং মানুষের বেঁচে থাকার অদম্য আকাঙ্ক্ষাকে
কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ‘এককোটি মনোয়ারা’। সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতীকী উপস্থাপনার
মধ্য দিয়ে দর্শকের সামনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন তুলে ধরবে নাটকটি।
নাটকের গল্পে দেখা
যাবে একটি রুদ্ধদ্বার মিলনায়তন, যা মুহূর্তেই পরিণত হয় প্রতীকী আদালতে। দুই আইনজীবীর
তর্ক, ইতিহাসের খণ্ডচিত্র, স্মৃতির অনুরণন এবং সমকালীন বাস্তবতার নানা অনুষঙ্গের মধ্য
দিয়ে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় সাধারণ মানুষের এক অসাধারণ গল্প।
শ্রমজীবী আবুল ফজলের
হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়া, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রোখসানার দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং এক
প্রান্তিক মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম নাটকের অন্যতম মূল উপজীব্য। ব্যক্তিগত বেদনা
একসময় ছাড়িয়ে যায় ব্যক্তির গণ্ডি, পরিণত হয় বৃহত্তর সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রশ্নে।
নির্দেশক মীর মেহবুব
আলম নাহিদ বলেন, ‘এটি শুধু একটি নাট্য প্রযোজনা নয়; বরং আমাদের সময়, রাষ্ট্র, মানুষ,
স্মৃতি, ন্যায়বিচার ও প্রতিরোধের প্রশ্নকে নতুনভাবে ভাবার এক শিল্পিত প্রয়াস।’
তিনি আরও বলেন,
‘নাটকটিতে রাষ্ট্র, ক্ষমতা, বিচার, স্মৃতি, মাতৃত্ব, প্রতিরোধ এবং মানুষের বেঁচে থাকার
আকাঙ্ক্ষা একটি ভিন্ন নাট্যভাষায় মিলেমিশে গেছে। বাস্তবতা ও প্রতীকের সংমিশ্রণে নির্মিত
এই আখ্যান দর্শককে শুধু গল্প শোনাবে না, বরং নিজের ভেতর কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেও
বাধ্য করবে।’
নাটকের বিভিন্ন
চরিত্রে অভিনয় করেছেন একামণি ঘোষ, মনীষা ঘোষ, ফাহমিদা মল্লিক শিশির, মুনিরা অবনী, চারু
পিন্টু, রমিজ পাটোয়ারী, তাজিন বিনতে খালেদ দৃষ্টি, টগর তিহান, তানজিদা ইসরাত জাহান
ঋতু ও জ্যাকলিন কাব্য।
নাটকটির মঞ্চ পরিকল্পনা
ও কোরিওগ্রাফিতে রয়েছেন অনিকেত পাল বাবু, আলোক পরিকল্পনায় অম্লান বিশ্বাস এবং পোশাক
পরিকল্পনায় মুনিরা অবনী।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর মঞ্চে আগামীকাল আসছে পালাকার নাট্যদলের নতুন প্রযোজনা ‘এককোটি মনোয়ারা’। বদরুজ্জামান আলমগীরের রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন মীর মেহবুব আলম নাহিদ। আগামীকাল সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন একই সময়ে ও একই মঞ্চে হবে দ্বিতীয় প্রদর্শনী।
ব্যক্তি, রাষ্ট্র,
ন্যায়বিচার, স্মৃতি, মাতৃত্ব, প্রতিরোধ এবং মানুষের বেঁচে থাকার অদম্য আকাঙ্ক্ষাকে
কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ‘এককোটি মনোয়ারা’। সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতীকী উপস্থাপনার
মধ্য দিয়ে দর্শকের সামনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন তুলে ধরবে নাটকটি।
নাটকের গল্পে দেখা
যাবে একটি রুদ্ধদ্বার মিলনায়তন, যা মুহূর্তেই পরিণত হয় প্রতীকী আদালতে। দুই আইনজীবীর
তর্ক, ইতিহাসের খণ্ডচিত্র, স্মৃতির অনুরণন এবং সমকালীন বাস্তবতার নানা অনুষঙ্গের মধ্য
দিয়ে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় সাধারণ মানুষের এক অসাধারণ গল্প।
শ্রমজীবী আবুল ফজলের
হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়া, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রোখসানার দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং এক
প্রান্তিক মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম নাটকের অন্যতম মূল উপজীব্য। ব্যক্তিগত বেদনা
একসময় ছাড়িয়ে যায় ব্যক্তির গণ্ডি, পরিণত হয় বৃহত্তর সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রশ্নে।
নির্দেশক মীর মেহবুব
আলম নাহিদ বলেন, ‘এটি শুধু একটি নাট্য প্রযোজনা নয়; বরং আমাদের সময়, রাষ্ট্র, মানুষ,
স্মৃতি, ন্যায়বিচার ও প্রতিরোধের প্রশ্নকে নতুনভাবে ভাবার এক শিল্পিত প্রয়াস।’
তিনি আরও বলেন,
‘নাটকটিতে রাষ্ট্র, ক্ষমতা, বিচার, স্মৃতি, মাতৃত্ব, প্রতিরোধ এবং মানুষের বেঁচে থাকার
আকাঙ্ক্ষা একটি ভিন্ন নাট্যভাষায় মিলেমিশে গেছে। বাস্তবতা ও প্রতীকের সংমিশ্রণে নির্মিত
এই আখ্যান দর্শককে শুধু গল্প শোনাবে না, বরং নিজের ভেতর কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেও
বাধ্য করবে।’
নাটকের বিভিন্ন
চরিত্রে অভিনয় করেছেন একামণি ঘোষ, মনীষা ঘোষ, ফাহমিদা মল্লিক শিশির, মুনিরা অবনী, চারু
পিন্টু, রমিজ পাটোয়ারী, তাজিন বিনতে খালেদ দৃষ্টি, টগর তিহান, তানজিদা ইসরাত জাহান
ঋতু ও জ্যাকলিন কাব্য।
নাটকটির মঞ্চ পরিকল্পনা
ও কোরিওগ্রাফিতে রয়েছেন অনিকেত পাল বাবু, আলোক পরিকল্পনায় অম্লান বিশ্বাস এবং পোশাক
পরিকল্পনায় মুনিরা অবনী।

আপনার মতামত লিখুন