স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পাগলের মতো ছুটেছিলেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দিকে। মনে একটাই আশা ছিল-জীবিত না হোক, অন্তত শেষবারের মতো মানুষটার মুখটা তো দেখা হবে! কিন্তু পথেই জানতে পারলেন, স্বামীর নিথর দেহটি অ্যাম্বুলেন্সে করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে গাইবান্ধার গ্রামে। শাপলা বেগম যখন সুন্দরগঞ্জের বাড়িতে পৌঁছালেন, ততক্ষণে সব শেষ। প্রিয়তম স্বামীকে মাটি দেওয়া হয়ে গেছে। দেড় বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে এখন এক অতল অনিশ্চয়তায় দাঁড়িয়ে এই নারী।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পাগলের মতো ছুটেছিলেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দিকে। মনে একটাই আশা ছিল-জীবিত না হোক, অন্তত শেষবারের মতো মানুষটার মুখটা তো দেখা হবে! কিন্তু পথেই জানতে পারলেন, স্বামীর নিথর দেহটি অ্যাম্বুলেন্সে করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে গাইবান্ধার গ্রামে। শাপলা বেগম যখন সুন্দরগঞ্জের বাড়িতে পৌঁছালেন, ততক্ষণে সব শেষ। প্রিয়তম স্বামীকে মাটি দেওয়া হয়ে গেছে। দেড় বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে এখন এক অতল অনিশ্চয়তায় দাঁড়িয়ে এই নারী।

আপনার মতামত লিখুন