সংবাদ

নবীগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও


প্রতিনিধি, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
প্রতিনিধি, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম

নবীগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও
ছবি : সংবাদ

তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, তার ওপর দফায় দফায় লোডশেডিং। দেশের জাতীয় গ্রিডে বড় অঙ্কের বিদ্যুৎ সরবরাহ করেও অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে নবীগঞ্জবাসীকে। এমন বৈষম্য ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও করেছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার মানুষ পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। এ সময় তারা দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রতিবাদে নানা স্লোগান দেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের ক্ষোভের মূল কারণ বৈষম্য। নবীগঞ্জের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র ও সংলগ্ন এলাকায় সামিট গ্রুপের বিবিয়ানা-২ (৩৪১ মেগাওয়াট) এবং সরকারি বিবিয়ানা-৩ (৪০০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মোট ৭৪১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, যে অঞ্চলের মাটির নিচ থেকে গ্যাস তুলে জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখা হচ্ছে, সেই অঞ্চলের মানুষ কেন বিদ্যুৎ পাবে না?

নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় বিদ্যুতের বর্তমান চাহিদা প্রায় ২৯ মেগাওয়াট। কিন্তু বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৩ মেগাওয়াট। অর্ধেকেরও বেশি ঘাটতি থাকায় বাধ্য হয়ে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

বিক্ষুব্ধ বাসিন্দারা জানান, তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্কদের অবস্থা শোচনীয়। ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা লাটে উঠেছে। তারা অবিলম্বে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানান, অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।

পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দাবি, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় বসবাস করলেও কেন্দ্রীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দ কম পাওয়ায় এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। বরাদ্দ বাড়লে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬


নবীগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, তার ওপর দফায় দফায় লোডশেডিং। দেশের জাতীয় গ্রিডে বড় অঙ্কের বিদ্যুৎ সরবরাহ করেও অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে নবীগঞ্জবাসীকে। এমন বৈষম্য ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও করেছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার মানুষ পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। এ সময় তারা দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রতিবাদে নানা স্লোগান দেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের ক্ষোভের মূল কারণ বৈষম্য। নবীগঞ্জের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র ও সংলগ্ন এলাকায় সামিট গ্রুপের বিবিয়ানা-২ (৩৪১ মেগাওয়াট) এবং সরকারি বিবিয়ানা-৩ (৪০০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মোট ৭৪১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, যে অঞ্চলের মাটির নিচ থেকে গ্যাস তুলে জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখা হচ্ছে, সেই অঞ্চলের মানুষ কেন বিদ্যুৎ পাবে না?

নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় বিদ্যুতের বর্তমান চাহিদা প্রায় ২৯ মেগাওয়াট। কিন্তু বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৩ মেগাওয়াট। অর্ধেকেরও বেশি ঘাটতি থাকায় বাধ্য হয়ে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

বিক্ষুব্ধ বাসিন্দারা জানান, তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্কদের অবস্থা শোচনীয়। ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা লাটে উঠেছে। তারা অবিলম্বে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানান, অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।

পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দাবি, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় বসবাস করলেও কেন্দ্রীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দ কম পাওয়ায় এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। বরাদ্দ বাড়লে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত