১০০ জন তরুণকে প্রশিক্ষণের পর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে সফলভাবে শেষ হলো ‘স্কিল আপ-এমপাওয়ারিং ইয়ুথ ফর ডিজিটাল এমপ্লয়মেন্ট’ (সিজন ২)।
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) মানিকগঞ্জ এই প্রকল্পের আয়োজন করে।
সম্প্রতি আয়োজিত এই প্রকল্পে এমপ্লয়মেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল দেশের শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বিপিও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান স্কাইটেক সলিউশনস।
উল্লেখ্য, এই প্রকল্পটি ২০২৫ সালে জেসিআই বাংলাদেশের জাতীয় সম্মেলনে (ন্যাটকন) ‘মোস্ট ইমপ্যাক্টফুল প্রজেক্ট’ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছিল।
প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও জেসিআই মানিকগঞ্জের জিএলসি (জেনারেল লিগ্যাল কাউন্সিল) আর কে জ্যান বলেন, ‘দেশের তরুণদের ডিজিটাল অর্থনীতির উপযোগী করে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। স্কাইটেক সলিউশনের মাধ্যমে আমরা ১০০ জন তরুণকে বিপিও সেক্টরে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বরং আপওয়ার্ক, ফাইবার বা ফ্রিল্যান্সার ডটকমের মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পেশাদার প্রোফাইল তৈরি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই টুলসের ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগের বাস্তবমুখী কৌশল শেখানো হয়েছে।’
জেসিআই মানিকগঞ্জের ২০২৬ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট সাবরিনা পারভীন খান জানান, প্রকল্পটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির ৪ নম্বর (গুণগত শিক্ষা) এবং ৮ নম্বর (উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি) লক্ষ্য অর্জনে সরাসরি ভূমিকা রাখছে। গত দুই বছর ধরে চলমান এই উদ্যোগ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
চ্যাপ্টারটির ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট আবু সুফিয়ান নিলাভ বলেন, তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্য থেকেই এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
এখান থেকেই আগামীর শীর্ষ উদ্যোক্তারা বেরিয়ে আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
স্কাইটেক সলিউশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুসনাদ ই আহমেদ বলেন, ‘বিগত দেড় বছরে আমরা প্রায় ২০০ জন ফ্রেশারকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি এবং স্কাইটেকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছি। তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ করে তুলতে জেসিআই মানিকগঞ্জের সঙ্গে আমাদের এই কোলাবোরেশন সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।’
প্রকল্পের সফলতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জেসিআই মানিকগঞ্জের ২০২৬ এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আরিফ হোসেন। তিনি জানান, ডিজিটাল দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে এই ১০০ জন তরুণ-তরুণী এখন বিশ্বমঞ্চে কাজ করার জন্য প্রস্তুত।
জেসিআই ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণদের একটি বৈশ্বিক সংগঠন। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরিতে সদর দপ্তর অবস্থিত এই সংগঠনটি বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশে বর্তমানে জেসিআইয়ের ৪০টিরও বেশি লোকাল চ্যাপ্টার তরুণদের নেতৃত্ব ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০০ জন তরুণকে প্রশিক্ষণের পর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে সফলভাবে শেষ হলো ‘স্কিল আপ-এমপাওয়ারিং ইয়ুথ ফর ডিজিটাল এমপ্লয়মেন্ট’ (সিজন ২)।
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) মানিকগঞ্জ এই প্রকল্পের আয়োজন করে।
সম্প্রতি আয়োজিত এই প্রকল্পে এমপ্লয়মেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল দেশের শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বিপিও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান স্কাইটেক সলিউশনস।
উল্লেখ্য, এই প্রকল্পটি ২০২৫ সালে জেসিআই বাংলাদেশের জাতীয় সম্মেলনে (ন্যাটকন) ‘মোস্ট ইমপ্যাক্টফুল প্রজেক্ট’ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছিল।
প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও জেসিআই মানিকগঞ্জের জিএলসি (জেনারেল লিগ্যাল কাউন্সিল) আর কে জ্যান বলেন, ‘দেশের তরুণদের ডিজিটাল অর্থনীতির উপযোগী করে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। স্কাইটেক সলিউশনের মাধ্যমে আমরা ১০০ জন তরুণকে বিপিও সেক্টরে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বরং আপওয়ার্ক, ফাইবার বা ফ্রিল্যান্সার ডটকমের মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পেশাদার প্রোফাইল তৈরি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই টুলসের ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগের বাস্তবমুখী কৌশল শেখানো হয়েছে।’
জেসিআই মানিকগঞ্জের ২০২৬ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট সাবরিনা পারভীন খান জানান, প্রকল্পটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির ৪ নম্বর (গুণগত শিক্ষা) এবং ৮ নম্বর (উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি) লক্ষ্য অর্জনে সরাসরি ভূমিকা রাখছে। গত দুই বছর ধরে চলমান এই উদ্যোগ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
চ্যাপ্টারটির ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট আবু সুফিয়ান নিলাভ বলেন, তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্য থেকেই এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
এখান থেকেই আগামীর শীর্ষ উদ্যোক্তারা বেরিয়ে আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
স্কাইটেক সলিউশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুসনাদ ই আহমেদ বলেন, ‘বিগত দেড় বছরে আমরা প্রায় ২০০ জন ফ্রেশারকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি এবং স্কাইটেকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছি। তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ করে তুলতে জেসিআই মানিকগঞ্জের সঙ্গে আমাদের এই কোলাবোরেশন সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।’
প্রকল্পের সফলতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জেসিআই মানিকগঞ্জের ২০২৬ এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আরিফ হোসেন। তিনি জানান, ডিজিটাল দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে এই ১০০ জন তরুণ-তরুণী এখন বিশ্বমঞ্চে কাজ করার জন্য প্রস্তুত।
জেসিআই ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণদের একটি বৈশ্বিক সংগঠন। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরিতে সদর দপ্তর অবস্থিত এই সংগঠনটি বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশে বর্তমানে জেসিআইয়ের ৪০টিরও বেশি লোকাল চ্যাপ্টার তরুণদের নেতৃত্ব ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন