সংবাদ

বদরগঞ্জে ধান ক্রয়ে অনিয়ম


প্রতিনিধি, বদরগঞ্জ (রংপুর)
প্রতিনিধি, বদরগঞ্জ (রংপুর)
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২১ পিএম

বদরগঞ্জে ধান ক্রয়ে অনিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

রংপুরের বদরগঞ্জে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান ক্রয়ে অনিয়ম ও সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রেজোয়ান হাসান বদরগঞ্জ থানায় এই অভিযোগ দেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন - উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিপ্লব কুমার সিংহ রায়, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রায়হান কবীর, উপসহকারী কর্মকর্তা আরিফুল হক, নৈশপ্রহরী হামিদুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব জিয়াউল হক জিয়া এবং চারজন মিল-চাতাল মালিক। ওই চাতাল মালিকেরা হলেন - মো. ফরহাদ হোসেন, সাজ্জাদ কবীর, সম্ভুচরণ রায় ও বাপ্পী কুণ্ডু।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রায়হান কবীর দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করছেন। সম্প্রতি সরকারের বরাদ্দ করা ৮০ মেট্রিক টন ধান ক্রাশিংয়ের (মাড়াই) কথা বলে ওই চার মিল মালিকের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। কিন্তু মিল মালিকেরা সেই ধান মাড়াই না করে গুদামেই রেখে দেন এবং বিভিন্ন কৃষকের নাম ব্যবহার করে সেই ধান পুনরায় গুদামে বিক্রি দেখিয়ে বিপুল টাকা হাতিয়ে নেন। এ ছাড়া মাড়াইয়ের নামে বরাদ্দ করা অর্থও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রায়হান কবীর বলেন, ‘তালিকাভুক্ত কৃষকেরা না আসায় ওপরের মহলের চাপে ধান কিনেছি।’ তবে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিপ্লব কুমার সিংহ রায়কে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আঞ্জুমান সুলতানা বলেন, ‘আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ধান সংগ্রহের মেয়াদ রয়েছে। তালিকার বাইরে ধান কেনার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


বদরগঞ্জে ধান ক্রয়ে অনিয়ম

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রংপুরের বদরগঞ্জে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান ক্রয়ে অনিয়ম ও সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রেজোয়ান হাসান বদরগঞ্জ থানায় এই অভিযোগ দেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন - উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিপ্লব কুমার সিংহ রায়, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রায়হান কবীর, উপসহকারী কর্মকর্তা আরিফুল হক, নৈশপ্রহরী হামিদুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব জিয়াউল হক জিয়া এবং চারজন মিল-চাতাল মালিক। ওই চাতাল মালিকেরা হলেন - মো. ফরহাদ হোসেন, সাজ্জাদ কবীর, সম্ভুচরণ রায় ও বাপ্পী কুণ্ডু।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রায়হান কবীর দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করছেন। সম্প্রতি সরকারের বরাদ্দ করা ৮০ মেট্রিক টন ধান ক্রাশিংয়ের (মাড়াই) কথা বলে ওই চার মিল মালিকের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। কিন্তু মিল মালিকেরা সেই ধান মাড়াই না করে গুদামেই রেখে দেন এবং বিভিন্ন কৃষকের নাম ব্যবহার করে সেই ধান পুনরায় গুদামে বিক্রি দেখিয়ে বিপুল টাকা হাতিয়ে নেন। এ ছাড়া মাড়াইয়ের নামে বরাদ্দ করা অর্থও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রায়হান কবীর বলেন, ‘তালিকাভুক্ত কৃষকেরা না আসায় ওপরের মহলের চাপে ধান কিনেছি।’ তবে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিপ্লব কুমার সিংহ রায়কে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আঞ্জুমান সুলতানা বলেন, ‘আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ধান সংগ্রহের মেয়াদ রয়েছে। তালিকার বাইরে ধান কেনার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত