সংবাদ

মুজিব পরদেশী এবার ১৯ বছর আগের সাজাপ্রাপ্ত মামলায় গ্রেপ্তার


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

মুজিব পরদেশী এবার ১৯ বছর আগের সাজাপ্রাপ্ত মামলায় গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় বর্তমানে কারাগারে থাকা জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী, সুরকার সংগীত পরিচালক মুজিব পরদেশীকে এবার প্রায় ১৯ বছর পুরোনো একটি সাজাপ্রাপ্ত মামলায় নতুন করে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ সাদিক আহম্মেদ বাদীপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহ আলম মিয়া জানান, ২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর মজিবুর রহমানের করা এক মামলায় মুজিব পরদেশীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং লাখ ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই রায়ে অর্থদণ্ডের লাখ টাকা বাদীকে দেওয়া এবং অবশিষ্ট লাখ ৮০ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ ছিল।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে বাদী মজিবুর রহমানের ছোট ভাই সোলায়মান সরদারকে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে লাখ ৪০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন মুজিব পরদেশী। পরবর্তীতে তাকে বিদেশে পাঠাতে ব্যর্থ হলে টাকা ফেরত চাওয়া হয়। তখন মুজিব পরদেশী লাখ ২০ হাজার টাকা করে দুটি চেক প্রদান করলেও ব্যাংকে পর্যাপ্ত তহবিল না থাকায় তা বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়।

এরপর লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েও পাওনা টাকা না পাওয়ায় ২০০৪ সালের জুন মামলা দায়ের করা হলে ২০০৭ সালে আদালত তার বিরুদ্ধে ওই সাজা ঘোষণা করেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তিনি নিজের সংগীতশিল্পীর পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে বিদেশ নেওয়ার কথা বলে আরও একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছিলেন।

এর আগে ১০ লাখ টাকার অপর একটি চেক ডিজঅনার মামলায় মাগুরার আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং গত আগস্ট তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সেই মামলায় ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ মাগুরার দ্বিতীয় যুগ্ম দায়রা জজ আদালত তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছিলেন। রায় ঘোষণার সময় পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি ছিল।

এবার কারাগারে থাকা অবস্থাতেই পুরোনো মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান মিয়া। শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় আশির দশকে 'আমি বন্দি কারাগারে' গান দিয়ে কালজয়ী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই শিল্পীর আইনি সংকট আরও ঘনীভূত হলো।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


মুজিব পরদেশী এবার ১৯ বছর আগের সাজাপ্রাপ্ত মামলায় গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় বর্তমানে কারাগারে থাকা জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী, সুরকার সংগীত পরিচালক মুজিব পরদেশীকে এবার প্রায় ১৯ বছর পুরোনো একটি সাজাপ্রাপ্ত মামলায় নতুন করে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ সাদিক আহম্মেদ বাদীপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহ আলম মিয়া জানান, ২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর মজিবুর রহমানের করা এক মামলায় মুজিব পরদেশীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং লাখ ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই রায়ে অর্থদণ্ডের লাখ টাকা বাদীকে দেওয়া এবং অবশিষ্ট লাখ ৮০ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ ছিল।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে বাদী মজিবুর রহমানের ছোট ভাই সোলায়মান সরদারকে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে লাখ ৪০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন মুজিব পরদেশী। পরবর্তীতে তাকে বিদেশে পাঠাতে ব্যর্থ হলে টাকা ফেরত চাওয়া হয়। তখন মুজিব পরদেশী লাখ ২০ হাজার টাকা করে দুটি চেক প্রদান করলেও ব্যাংকে পর্যাপ্ত তহবিল না থাকায় তা বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়।

এরপর লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েও পাওনা টাকা না পাওয়ায় ২০০৪ সালের জুন মামলা দায়ের করা হলে ২০০৭ সালে আদালত তার বিরুদ্ধে ওই সাজা ঘোষণা করেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তিনি নিজের সংগীতশিল্পীর পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে বিদেশ নেওয়ার কথা বলে আরও একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছিলেন।

এর আগে ১০ লাখ টাকার অপর একটি চেক ডিজঅনার মামলায় মাগুরার আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং গত আগস্ট তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সেই মামলায় ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ মাগুরার দ্বিতীয় যুগ্ম দায়রা জজ আদালত তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছিলেন। রায় ঘোষণার সময় পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি ছিল।

এবার কারাগারে থাকা অবস্থাতেই পুরোনো মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান মিয়া। শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় আশির দশকে 'আমি বন্দি কারাগারে' গান দিয়ে কালজয়ী জনপ্রিয়তা পাওয়া এই শিল্পীর আইনি সংকট আরও ঘনীভূত হলো।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত