কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে এআইনির্ভর সিসিটিভি, বডি ক্যামেরা, বডি স্ক্যানার, লাগেজ স্ক্যানার, মোবাইল ডিটেক্টর ও মোবাইল জ্যামিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের হোসেন।
পাশাপাশি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম ও টিম ট্র্যাকার
চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর
বকশীবাজার কারা অধিদপ্তরে আয়োজিত
সংবাদ সম্মেলনে কারা মহাপরিদর্শক এসব
তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি
বলেন, "২০২৪ সালের আগস্টে
কারা বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণের পর কারা ব্যবস্থাপনা
আরও আধুনিক, মানবিক, স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে
রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়।"
নিরাপত্তা
ব্যবস্থার বিবরণ দিয়ে তিনি আরও
বলেন, "নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিক করতে বডি স্ক্যানার,
লাগেজ স্ক্যানার, মোবাইল ডিটেক্টর, গ্রাউন্ড সুইপিং মেশিন এবং মোবাইল জ্যামারসহ
বিভিন্ন আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। একই
সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের বডি ক্যামেরা ব্যবহারের
উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
বন্দি
ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, "তথ্য-উপাত্তভিত্তিক বন্দি ব্যবস্থাপনার জন্য Comprehensive Prisoner
Database সমৃদ্ধ করা হয়েছে। বন্দিদের
টেলিফোন কল ও সাক্ষাৎ
ব্যবস্থা ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হয়েছে।"
ভার্চুয়াল
কোর্টের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম এবং বন্দিদের সংশোধনে
খেলাধুলা, ধর্মীয় শিক্ষা ও ভিডিও কলের
সুযোগ সৃষ্টির কথাও তিনি উল্লেখ
করেন।
মাদক
নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতির
কথা জানিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের
হোসেন বলেন, "কারাগারে মাদক প্রবেশ ও
মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স পলিসি
গ্রহণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে
বন্দি কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারী-কেউই আইনের ঊর্ধ্বে
নন।"
স্বাস্থ্যসেবা
নিশ্চিতে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতাল নির্মাণ,
নতুন অ্যাম্বুলেন্স সংযোজন ও ডিপ্লোমা নার্স
নিয়োগের কথা তুলে ধরেন
তিনি।
কারাগারের
সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানের
নাম পরিবর্তন প্রসঙ্গে কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের
হোসেন বলেন, "কারাগারের মূল দর্শনকে আরও
সংশোধন ও পুনর্বাসনমুখী করার
লক্ষ্যে বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে
‘Custodial and Correction Service Bangladesh’ করার
উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।"
আইন
ও বিধিবিধান যুগোপযোগী করতে ‘Custodial and
Correction Service Act-2025’-এর
খসড়া অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা
হয়েছে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে এআইনির্ভর সিসিটিভি, বডি ক্যামেরা, বডি স্ক্যানার, লাগেজ স্ক্যানার, মোবাইল ডিটেক্টর ও মোবাইল জ্যামিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের হোসেন।
পাশাপাশি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম ও টিম ট্র্যাকার
চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর
বকশীবাজার কারা অধিদপ্তরে আয়োজিত
সংবাদ সম্মেলনে কারা মহাপরিদর্শক এসব
তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি
বলেন, "২০২৪ সালের আগস্টে
কারা বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণের পর কারা ব্যবস্থাপনা
আরও আধুনিক, মানবিক, স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে
রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়।"
নিরাপত্তা
ব্যবস্থার বিবরণ দিয়ে তিনি আরও
বলেন, "নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিক করতে বডি স্ক্যানার,
লাগেজ স্ক্যানার, মোবাইল ডিটেক্টর, গ্রাউন্ড সুইপিং মেশিন এবং মোবাইল জ্যামারসহ
বিভিন্ন আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। একই
সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের বডি ক্যামেরা ব্যবহারের
উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
বন্দি
ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, "তথ্য-উপাত্তভিত্তিক বন্দি ব্যবস্থাপনার জন্য Comprehensive Prisoner
Database সমৃদ্ধ করা হয়েছে। বন্দিদের
টেলিফোন কল ও সাক্ষাৎ
ব্যবস্থা ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হয়েছে।"
ভার্চুয়াল
কোর্টের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম এবং বন্দিদের সংশোধনে
খেলাধুলা, ধর্মীয় শিক্ষা ও ভিডিও কলের
সুযোগ সৃষ্টির কথাও তিনি উল্লেখ
করেন।
মাদক
নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতির
কথা জানিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের
হোসেন বলেন, "কারাগারে মাদক প্রবেশ ও
মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স পলিসি
গ্রহণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে
বন্দি কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারী-কেউই আইনের ঊর্ধ্বে
নন।"
স্বাস্থ্যসেবা
নিশ্চিতে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতাল নির্মাণ,
নতুন অ্যাম্বুলেন্স সংযোজন ও ডিপ্লোমা নার্স
নিয়োগের কথা তুলে ধরেন
তিনি।
কারাগারের
সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানের
নাম পরিবর্তন প্রসঙ্গে কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের
হোসেন বলেন, "কারাগারের মূল দর্শনকে আরও
সংশোধন ও পুনর্বাসনমুখী করার
লক্ষ্যে বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে
‘Custodial and Correction Service Bangladesh’ করার
উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।"
আইন
ও বিধিবিধান যুগোপযোগী করতে ‘Custodial and
Correction Service Act-2025’-এর
খসড়া অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা
হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন