আগামী সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও ডিসেম্বর মাসে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এমন প্রেক্ষাপটে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ এবং ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
সোমবার বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) এ ব্লক অডিটোরিয়ামে সেন্ট্রাল সেমিনার সাব-কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘ডেঙ্গুর পরিবর্তিত পরিস্থিতি, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমইউ উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, "সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও ডিসেম্বর মাসে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও বাড়তে পারে। সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।"
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, "ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়। ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, "মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে রোগীদের সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় না হলে রোগীর অবস্থায় অবনতি হতে পারে, তাই রোগ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা প্রদান জরুরি।"
সেমিনারে ভাইরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস. এম. রাশেদ উল ইসলাম ‘দি চেঞ্জিং ল্যান্ডস্কেপ অফ ডেঙ্গু ইন বাংলাদেশ: সেরোটাইপ ডাইনামিক্স এন্ড ডিজিস সাভারিটি’ এবং ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. খালেদ মাহবুব মুর্শেদ ‘আপডেটেড ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অফ ডেঙ্গু’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সেন্ট্রাল সেমিনার সাব-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আফজালুন নেছার সভাপতিত্বে এবং সহযোগী অধ্যাপক ডা. ডিএমএম ফারুক ওসমানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতারসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ঝুঁকিপূর্ণ রোগী শনাক্তকরণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
আগামী সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও ডিসেম্বর মাসে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এমন প্রেক্ষাপটে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ এবং ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
সোমবার বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) এ ব্লক অডিটোরিয়ামে সেন্ট্রাল সেমিনার সাব-কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘ডেঙ্গুর পরিবর্তিত পরিস্থিতি, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমইউ উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, "সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও ডিসেম্বর মাসে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও বাড়তে পারে। সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।"
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, "ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়। ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, "মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে রোগীদের সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় না হলে রোগীর অবস্থায় অবনতি হতে পারে, তাই রোগ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা প্রদান জরুরি।"
সেমিনারে ভাইরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস. এম. রাশেদ উল ইসলাম ‘দি চেঞ্জিং ল্যান্ডস্কেপ অফ ডেঙ্গু ইন বাংলাদেশ: সেরোটাইপ ডাইনামিক্স এন্ড ডিজিস সাভারিটি’ এবং ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. খালেদ মাহবুব মুর্শেদ ‘আপডেটেড ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অফ ডেঙ্গু’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সেন্ট্রাল সেমিনার সাব-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আফজালুন নেছার সভাপতিত্বে এবং সহযোগী অধ্যাপক ডা. ডিএমএম ফারুক ওসমানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতারসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ঝুঁকিপূর্ণ রোগী শনাক্তকরণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন