সংবাদ

‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) পরিবার কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থাকতে সরকার বদ্ধপরিকর। ভাতা সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রেরণের ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের লোপাটের সুযোগ থাকবে না। প্রকৃত দুস্থরাই এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এই কর্মসূচির আওতায় দেশের নির্দিষ্ট জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার অনুযায়ী উপকারভোগীরা তাদের পছন্দের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসেই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।


প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে তালিকাভুক্ত ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারীর ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে নির্ধারিত টাকা জমা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জেলা, উপজেলা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সরকার সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হয়। এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এ সময় তিনি অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ অন্য কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে তা বহাল থাকবে।

তিনি আরও বলেন, কমিটির সদস্যরা সরেজমিন প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারে ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ও মোবাইল ইত্যাদি) রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য যাচাই বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করেছে। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) পরিবার কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থাকতে সরকার বদ্ধপরিকর। ভাতা সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রেরণের ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের লোপাটের সুযোগ থাকবে না। প্রকৃত দুস্থরাই এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এই কর্মসূচির আওতায় দেশের নির্দিষ্ট জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার অনুযায়ী উপকারভোগীরা তাদের পছন্দের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসেই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।


প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে তালিকাভুক্ত ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারীর ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে নির্ধারিত টাকা জমা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জেলা, উপজেলা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সরকার সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হয়। এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এ সময় তিনি অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ অন্য কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে তা বহাল থাকবে।

তিনি আরও বলেন, কমিটির সদস্যরা সরেজমিন প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারে ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ও মোবাইল ইত্যাদি) রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য যাচাই বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করেছে। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত