সংবাদ

স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নেই, ভোগান্তি চরমে


প্রতিনিধি, শেরপুর (বগুড়া)
প্রতিনিধি, শেরপুর (বগুড়া)
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০২ এএম

স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নেই, ভোগান্তি চরমে
ছবি : সংবাদ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী জমি ক্রেতা ও বিক্রেতারা। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর দুইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, বগুড়া সদর অফিসের পর এটি জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অফিস হলেও এখানে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নেই। বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা সপ্তাহে মাত্র দুই দিন (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) অফিস করেন। এতে দাপ্তরিক কাজে চরম স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই অফিসে প্রতিদিন ৩৪০ থেকে ৩৫০টির বেশি দলিল জমা পড়লেও সারা দিনে মাত্র ৪০ থেকে ৫০টি দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব হয়। ফলে প্রতিদিন দলিলের পাহাড় জমছে এবং সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

মানবন্ধনে আসা শিমলা এলাকার আব্দুল কাদের আক্ষেপ করে বলেন, ‘১৩ জন ওয়ারিশ নিয়ে আমি এ পর্যন্ত ছয়বার এই অফিসে এসেছি, কিন্তু কাজ হয়নি। যাতায়াতের এই ধকল সইতে না পেরে আমার অসুস্থ বোন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।’

ভুক্তভোগীরা অতিদ্রুত একজন স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নেই, ভোগান্তি চরমে

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী জমি ক্রেতা ও বিক্রেতারা। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর দুইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, বগুড়া সদর অফিসের পর এটি জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অফিস হলেও এখানে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নেই। বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা সপ্তাহে মাত্র দুই দিন (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) অফিস করেন। এতে দাপ্তরিক কাজে চরম স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই অফিসে প্রতিদিন ৩৪০ থেকে ৩৫০টির বেশি দলিল জমা পড়লেও সারা দিনে মাত্র ৪০ থেকে ৫০টি দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব হয়। ফলে প্রতিদিন দলিলের পাহাড় জমছে এবং সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

মানবন্ধনে আসা শিমলা এলাকার আব্দুল কাদের আক্ষেপ করে বলেন, ‘১৩ জন ওয়ারিশ নিয়ে আমি এ পর্যন্ত ছয়বার এই অফিসে এসেছি, কিন্তু কাজ হয়নি। যাতায়াতের এই ধকল সইতে না পেরে আমার অসুস্থ বোন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।’

ভুক্তভোগীরা অতিদ্রুত একজন স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত