প্রতিপক্ষকে হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন মেয়ে চম্পা বেগম (৪৮)। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজের জন্মদাত্রী মা হালিমা বেগমকে (৬৫) নির্মমভাবে হত্যা করেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, নিজে বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও করেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি; পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দীর্ঘ তদন্তে বেরিয়ে এসেছে সেই পৈশাচিক সত্য।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। এর আগে মামলার বাদী ও নিহতের মেয়ে চম্পা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। চম্পা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে নিজের মাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
পিবিআই জানায়, ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ রাতে করিমগঞ্জ উপজেলার সিন্ড্রিফ গ্রাম থেকে হালিমা বেগম নিখোঁজ হন। পরদিন বাড়ি থেকে ৩০০ গজ দূরে একটি পতিত জমি থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের গলায় রশি প্যাঁচানো ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় মেয়ে চম্পা বাদী হয়ে প্রতিবেশী বিল্লালসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।
ঘটনার ১৫ দিন আগে জমি নিয়ে বিরোধে বিল্লালের হাতে হালিমা বেগম আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চম্পা ভাবলেন, এই সুযোগে মাকে মেরে ফেললে এর দায় অনায়াসেই বিল্লালের ওপর চাপানো যাবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৩ মার্চ রাতে মীমাংসার কথা বলে মাকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে আসেন চম্পা ও তার সহযোগীরা। ওই রাতেই তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয়।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রতিপক্ষকে হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন মেয়ে চম্পা বেগম (৪৮)। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজের জন্মদাত্রী মা হালিমা বেগমকে (৬৫) নির্মমভাবে হত্যা করেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, নিজে বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও করেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি; পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দীর্ঘ তদন্তে বেরিয়ে এসেছে সেই পৈশাচিক সত্য।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। এর আগে মামলার বাদী ও নিহতের মেয়ে চম্পা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। চম্পা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে নিজের মাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
পিবিআই জানায়, ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ রাতে করিমগঞ্জ উপজেলার সিন্ড্রিফ গ্রাম থেকে হালিমা বেগম নিখোঁজ হন। পরদিন বাড়ি থেকে ৩০০ গজ দূরে একটি পতিত জমি থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের গলায় রশি প্যাঁচানো ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় মেয়ে চম্পা বাদী হয়ে প্রতিবেশী বিল্লালসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।
ঘটনার ১৫ দিন আগে জমি নিয়ে বিরোধে বিল্লালের হাতে হালিমা বেগম আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চম্পা ভাবলেন, এই সুযোগে মাকে মেরে ফেললে এর দায় অনায়াসেই বিল্লালের ওপর চাপানো যাবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৩ মার্চ রাতে মীমাংসার কথা বলে মাকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে আসেন চম্পা ও তার সহযোগীরা। ওই রাতেই তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয়।

আপনার মতামত লিখুন