কর্ণফুলী নদী দখল করে গড়ে ওঠা ২ হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে ১০টি পরিবেশবাদী সংগঠন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এসব স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম নগরের ফিরিঙ্গীবাজার এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ২ হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা এখনো উচ্ছেদ করা হয়নি। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনকে এসব স্থাপনা সরিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে উচ্ছেদ করা এলাকাকে সংরক্ষিত ঘোষণা করে সেখানে দেশীয় ফলদ ও ঔষধি গাছ লাগানোর দাবি জানান তারা।
কর্মসূচি থেকে দখলদারদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেওয়া আইনজীবীদের সমালোচনা করা হয়। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি ও বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদকসহ উচ্চপর্যায়ের আইনজীবীরা দখলদারদের পক্ষে হাইকোর্টে অবস্থান নিয়েছেন, যা জনস্বার্থবিরোধী।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন–চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আলীউর রহমান, বেলার বিভাগীয় সমন্বয়ক মনিরা পারভিন রুবা এবং বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের এম. নুরুল হুদা চৌধুরী প্রমুখ।
এই মানববন্ধনে সংহতি জানায় চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন, বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদসহ মোট ১০টি সংগঠন।
'

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
কর্ণফুলী নদী দখল করে গড়ে ওঠা ২ হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে ১০টি পরিবেশবাদী সংগঠন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এসব স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম নগরের ফিরিঙ্গীবাজার এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ২ হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা এখনো উচ্ছেদ করা হয়নি। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনকে এসব স্থাপনা সরিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে উচ্ছেদ করা এলাকাকে সংরক্ষিত ঘোষণা করে সেখানে দেশীয় ফলদ ও ঔষধি গাছ লাগানোর দাবি জানান তারা।
কর্মসূচি থেকে দখলদারদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেওয়া আইনজীবীদের সমালোচনা করা হয়। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি ও বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদকসহ উচ্চপর্যায়ের আইনজীবীরা দখলদারদের পক্ষে হাইকোর্টে অবস্থান নিয়েছেন, যা জনস্বার্থবিরোধী।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন–চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আলীউর রহমান, বেলার বিভাগীয় সমন্বয়ক মনিরা পারভিন রুবা এবং বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের এম. নুরুল হুদা চৌধুরী প্রমুখ।
এই মানববন্ধনে সংহতি জানায় চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন, বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদসহ মোট ১০টি সংগঠন।
'

আপনার মতামত লিখুন