ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবশীষ দত্তসহ তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ শনিবার (২২ আগাস্ট) বিকেলে কুষ্টিয়ায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ রাত ৮টায় কুষ্টিয়া মহাশ্মশানে দেবশীষ ও তার সাড়ে তিন বছরের ছেলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী ও শ্বশুরের দাফন সম্পন্ন হবে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্তানে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভারতীয় সময় সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সগুলো কলকাতা থেকে বেনাপোল স্থলবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা। নিহতরা হলেন–কুষ্টিয়ার পরিচিত মুখ তরুণ সাংবাদিক দেবশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমিন, তাদের সাড়ে তিন বছরের শিশুসন্তান শণৈশিল দত্ত এবং দেবশীষের শ্বশুর আকরাম আলী।
মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে জানা গেছে, শুক্রবারই (২১ আগস্ট) মরদেহগুলো পাঠানোর কথা ছিল। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় করা মামলাটি তদন্তের জন্য কলকাতার লালবাজার ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের (ডিডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর ফলে নতুন করে নথিপত্র তৈরির কারণে আইনি প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লেগে যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং রাতে সেগুলো কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের হিমঘরে রাখা হয়। শনিবার সকালে নিহতদের পাসপোর্ট সংগ্রহের পর অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা।
সূত্র জানায়, কলকাতা থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছাতে অন্তত আড়াই ঘণ্টা সময় লাগবে। এরপর ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের যাবতীয় কাজ শেষ করতে আরও এক ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে। সব মিলিয়ে আজ বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে মরদেহগুলো কুষ্টিয়ায় এসে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ৩ আগস্ট স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য সপরিবারে ভারতে যান দেবশীষ দত্ত। বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা শেষে গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তারা কলকাতায় ফেরেন এবং মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে ওঠেন। সেখানেই ওই রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান তারা। মেধাবী এই সাংবাদিক ও তার পরিবারের এমন করুণ মৃত্যুতে দেবশীষের আরুয়াপাড়া ও তার শ্বশুরবাড়ি থানাপাড়া এলাকায় এখন শোকের মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার আকাশ-বাতাস।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবশীষ দত্তসহ তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ শনিবার (২২ আগাস্ট) বিকেলে কুষ্টিয়ায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ রাত ৮টায় কুষ্টিয়া মহাশ্মশানে দেবশীষ ও তার সাড়ে তিন বছরের ছেলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী ও শ্বশুরের দাফন সম্পন্ন হবে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্তানে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভারতীয় সময় সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সগুলো কলকাতা থেকে বেনাপোল স্থলবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা। নিহতরা হলেন–কুষ্টিয়ার পরিচিত মুখ তরুণ সাংবাদিক দেবশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমিন, তাদের সাড়ে তিন বছরের শিশুসন্তান শণৈশিল দত্ত এবং দেবশীষের শ্বশুর আকরাম আলী।
মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে জানা গেছে, শুক্রবারই (২১ আগস্ট) মরদেহগুলো পাঠানোর কথা ছিল। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় করা মামলাটি তদন্তের জন্য কলকাতার লালবাজার ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের (ডিডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর ফলে নতুন করে নথিপত্র তৈরির কারণে আইনি প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লেগে যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং রাতে সেগুলো কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের হিমঘরে রাখা হয়। শনিবার সকালে নিহতদের পাসপোর্ট সংগ্রহের পর অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা।
সূত্র জানায়, কলকাতা থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছাতে অন্তত আড়াই ঘণ্টা সময় লাগবে। এরপর ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের যাবতীয় কাজ শেষ করতে আরও এক ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে। সব মিলিয়ে আজ বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে মরদেহগুলো কুষ্টিয়ায় এসে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ৩ আগস্ট স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য সপরিবারে ভারতে যান দেবশীষ দত্ত। বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা শেষে গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তারা কলকাতায় ফেরেন এবং মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে ওঠেন। সেখানেই ওই রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান তারা। মেধাবী এই সাংবাদিক ও তার পরিবারের এমন করুণ মৃত্যুতে দেবশীষের আরুয়াপাড়া ও তার শ্বশুরবাড়ি থানাপাড়া এলাকায় এখন শোকের মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার আকাশ-বাতাস।

আপনার মতামত লিখুন