সংবাদ

কলকাতার হোটেলে আগুন

দেশে পৌঁছাল সাজুর মরদেহ, রেবতীর সৎকার ভারতে


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম

দেশে পৌঁছাল সাজুর মরদেহ, রেবতীর সৎকার ভারতে
ছবি : সংবাদ

ভারতের কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। অন্যদিকে, একই দুর্ঘটনায় নিহত সাতক্ষীরার আরেক বাসিন্দা রেবতী সরকারের সৎকার ভারতের শ্মশানে সম্পন্ন হয়েছে।

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে গত ১৯ আগস্ট ভোরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নিহত ৯ জনের মধ্যে ৭ জনই বাংলাদেশি। সাজু সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার বরেয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার মরদেহ পৌঁছানোর সংবাদে ভোমরা স্থলবন্দরে আজ সকালেই ভিড় করেন স্বজনেরা।

ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মরদেহ বুঝে নিতে কিছুটা সময় লেগেছে। দুপুর ১২টার দিকে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে সাজুর মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে মরদেহটি তার নিজ গ্রাম বরেয়ায় দাফনের প্রস্তুতি চলছে।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কর্মকর্তা ওমর ফারুক আকন্দ জানান, নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠাতে উপহাইকমিশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। তবে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের তেঁতুলিয়া গ্রামের নিহত রেবতী সরকারের পরিবারের ইচ্ছায় গতকাল শুক্রবার রাতে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে তার সৎকার সম্পন্ন হয়েছে। রেবতীর ছেলে অনিক সরকার জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্তে ভারতে তার মায়ের শেষকৃত্য করা হয়।

উপহাইকমিশন আরও জানিয়েছে, নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে কুষ্টিয়ার চারজন ও ঢাকার একজনের মরদেহ আজ যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সরকার নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬


দেশে পৌঁছাল সাজুর মরদেহ, রেবতীর সৎকার ভারতে

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতের কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। অন্যদিকে, একই দুর্ঘটনায় নিহত সাতক্ষীরার আরেক বাসিন্দা রেবতী সরকারের সৎকার ভারতের শ্মশানে সম্পন্ন হয়েছে।

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে গত ১৯ আগস্ট ভোরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নিহত ৯ জনের মধ্যে ৭ জনই বাংলাদেশি। সাজু সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার বরেয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার মরদেহ পৌঁছানোর সংবাদে ভোমরা স্থলবন্দরে আজ সকালেই ভিড় করেন স্বজনেরা।

ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মরদেহ বুঝে নিতে কিছুটা সময় লেগেছে। দুপুর ১২টার দিকে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে সাজুর মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে মরদেহটি তার নিজ গ্রাম বরেয়ায় দাফনের প্রস্তুতি চলছে।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কর্মকর্তা ওমর ফারুক আকন্দ জানান, নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠাতে উপহাইকমিশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। তবে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের তেঁতুলিয়া গ্রামের নিহত রেবতী সরকারের পরিবারের ইচ্ছায় গতকাল শুক্রবার রাতে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে তার সৎকার সম্পন্ন হয়েছে। রেবতীর ছেলে অনিক সরকার জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্তে ভারতে তার মায়ের শেষকৃত্য করা হয়।

উপহাইকমিশন আরও জানিয়েছে, নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে কুষ্টিয়ার চারজন ও ঢাকার একজনের মরদেহ আজ যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সরকার নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত