দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে যুক্ত করে পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে একটি একক নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, যৌথ কমিটির মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে নীতিমালার কাজ শুরু হবে।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, "আমরা আজ একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম। এই সভায় আমরা প্রেজেন্টেশন দিলাম, সেই প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আমরা চাই পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটা এমওইউ করা। এটা বাইন্ডস করা; যে বাইন্ডসের মাধ্যমে আমরা দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটি গঠন করে সাংস্কৃতিক পর্যটনের জন্য একক নীতিমালার কার্যক্রম গ্রহণ করা। সেই প্রেক্ষিতেই আজ আমাদের এখানে আসা।"
জিডিপি প্রবৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী আরও বলেন, "আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে আজ যে প্রেজেন্টেশন দেওয়া হলো, এই প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে একটা জিনিস কনফার্ম করতে চাই যে আমাদের পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এমওইউ করে আমরা কাজ শুরু করতে চাই। যেহেতু আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তিনি এই বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী, আমাদের এই সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য এবং পর্যটন খাতকে উন্নত করার জন্য। বর্তমানে পর্যটন খাতে আমরা ২ থেকে ৩ শতাংশ জিডিপি অর্জন করতে পারি, সেটা আমাদের দুই মন্ত্রণালয়ের সম্পৃক্ততায় আমার কাছে মনে হয় তার যে আশা, ৭ থেকে ৮ পার্সেন্টে আমাদের জিডিপি উন্নতি করা, এ কারণেই আমাদের এই প্রাথমিক পর্যায়ে আজকের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া।"
পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, "প্রথমেই ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িগুলো অথবা কক্সবাজার থেকে বৌদ্ধ নিদর্শন এবং ময়নামতী পর্যন্ত আমরা বেছে নেব। এরপর পর্যায়ক্রমে পুরো দেশে এর প্রসার ঘটানো হবে।"
সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী অন্যান্য দেশের উদাহরণ টেনে বলেন, "শুধু পর্যটন নিয়ে অনেক দেশ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশ, তারা কিন্তু পৃথিবীতে এখন মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। যেমন থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালদ্বীপ কিন্তু পর্যটন নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আমাদের পর্যটন এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত রয়েছি, আমরা চাচ্ছি আমাদের ঐতিহ্যটাকে তুলে ধরে পৃথিবীর সামনে আমরা প্রমাণ করতে চাই যে আমরাই শ্রেষ্ঠ। আমরা বাঙালি জাতি, আমাদের দেশ, আমাদের এশিয়া প্যাসিফিক পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ।"
উক্ত গুরুত্বপুর্ণ নীতি নির্ধারণী সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং উভয় মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে যুক্ত করে পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে একটি একক নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, যৌথ কমিটির মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে নীতিমালার কাজ শুরু হবে।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, "আমরা আজ একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম। এই সভায় আমরা প্রেজেন্টেশন দিলাম, সেই প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আমরা চাই পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটা এমওইউ করা। এটা বাইন্ডস করা; যে বাইন্ডসের মাধ্যমে আমরা দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটি গঠন করে সাংস্কৃতিক পর্যটনের জন্য একক নীতিমালার কার্যক্রম গ্রহণ করা। সেই প্রেক্ষিতেই আজ আমাদের এখানে আসা।"
জিডিপি প্রবৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী আরও বলেন, "আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে আজ যে প্রেজেন্টেশন দেওয়া হলো, এই প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে একটা জিনিস কনফার্ম করতে চাই যে আমাদের পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এমওইউ করে আমরা কাজ শুরু করতে চাই। যেহেতু আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তিনি এই বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী, আমাদের এই সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য এবং পর্যটন খাতকে উন্নত করার জন্য। বর্তমানে পর্যটন খাতে আমরা ২ থেকে ৩ শতাংশ জিডিপি অর্জন করতে পারি, সেটা আমাদের দুই মন্ত্রণালয়ের সম্পৃক্ততায় আমার কাছে মনে হয় তার যে আশা, ৭ থেকে ৮ পার্সেন্টে আমাদের জিডিপি উন্নতি করা, এ কারণেই আমাদের এই প্রাথমিক পর্যায়ে আজকের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া।"
পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, "প্রথমেই ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িগুলো অথবা কক্সবাজার থেকে বৌদ্ধ নিদর্শন এবং ময়নামতী পর্যন্ত আমরা বেছে নেব। এরপর পর্যায়ক্রমে পুরো দেশে এর প্রসার ঘটানো হবে।"
সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী অন্যান্য দেশের উদাহরণ টেনে বলেন, "শুধু পর্যটন নিয়ে অনেক দেশ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশ, তারা কিন্তু পৃথিবীতে এখন মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। যেমন থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালদ্বীপ কিন্তু পর্যটন নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আমাদের পর্যটন এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত রয়েছি, আমরা চাচ্ছি আমাদের ঐতিহ্যটাকে তুলে ধরে পৃথিবীর সামনে আমরা প্রমাণ করতে চাই যে আমরাই শ্রেষ্ঠ। আমরা বাঙালি জাতি, আমাদের দেশ, আমাদের এশিয়া প্যাসিফিক পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ।"
উক্ত গুরুত্বপুর্ণ নীতি নির্ধারণী সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং উভয় মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন