বাংলাদেশে মেধার কোনো অভাব না থাকলেও সঠিক সুযোগের সংযোগ না থাকায় দেশের ক্রীড়াঙ্গন যথাযথভাবে বিকশিত হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা।
গত ২২ আগস্ট (শনিবার) বিকেলে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ডাচ-বাংলা অডিটোরিয়ামে চার দিনব্যাপী ‘অলিম্পিক সলিডারিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস স্পোর্টস কোর্স’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
বক্তব্যে ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, "বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ক্রীড়াঙ্গনের মেধাবীরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। কিন্তু তারা যোগ্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং তাদেরকে তুলে আনা ও সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য যথাযথ সুযোগ ও পরিস্থিতি পাচ্ছে না। সোজা কথা, মেধার সাথে সুযোগের সংযোগ হচ্ছে না। এজন্য ক্রীড়াঙ্গনের প্রশাসক, প্রশিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিক, দক্ষ ও বিচক্ষণ হওয়ার প্রয়োজন।"
বিশেষ করে নারী ক্রীড়াবিদদের অগ্রযাত্রায় বিদ্যমান সামাজিক বাধার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের, বিশেষ করে মেয়েদের জন্য সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে গোড়ামী এবং বাল্যবিবাহ।"
এই সামাজিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারিভাবে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার জোর আহ্বান জানান তিনি।
নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, "ক্রীড়াঙ্গনে নারীর নিরাপত্তার বিশেষ প্রয়োজন। আর এজন্য প্রত্যেকটি ফেডারেশনে 'সিকিউরিটি অফিসার' নিয়োগ করা অত্যাবশ্যক।"
তিনি আরও যোগ করেন, নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে ফিরিয়ে আনতে কেবল সুযোগ সৃষ্টি করলেই হবে না, বরং তাদের সাহস জোগানোর পাশাপাশি মানসিক ও মানসম্মত আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া জরুরি।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে গত ১৯ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২২ আগস্ট পর্যন্ত এই চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সটি অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী দিনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বিভিন্ন জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশন এবং বিভিন্ন সার্ভিসেস সংস্থাসহ মোট ৪টি ইউনিটের প্রতিনিধি ও ক্রীড়া প্রশাসকেরা অংশগ্রহণপূর্বক সনদ গ্রহণ করেন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশে মেধার কোনো অভাব না থাকলেও সঠিক সুযোগের সংযোগ না থাকায় দেশের ক্রীড়াঙ্গন যথাযথভাবে বিকশিত হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা।
গত ২২ আগস্ট (শনিবার) বিকেলে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ডাচ-বাংলা অডিটোরিয়ামে চার দিনব্যাপী ‘অলিম্পিক সলিডারিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস স্পোর্টস কোর্স’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
বক্তব্যে ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, "বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ক্রীড়াঙ্গনের মেধাবীরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। কিন্তু তারা যোগ্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং তাদেরকে তুলে আনা ও সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য যথাযথ সুযোগ ও পরিস্থিতি পাচ্ছে না। সোজা কথা, মেধার সাথে সুযোগের সংযোগ হচ্ছে না। এজন্য ক্রীড়াঙ্গনের প্রশাসক, প্রশিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিক, দক্ষ ও বিচক্ষণ হওয়ার প্রয়োজন।"
বিশেষ করে নারী ক্রীড়াবিদদের অগ্রযাত্রায় বিদ্যমান সামাজিক বাধার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের, বিশেষ করে মেয়েদের জন্য সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে গোড়ামী এবং বাল্যবিবাহ।"
এই সামাজিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারিভাবে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার জোর আহ্বান জানান তিনি।
নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, "ক্রীড়াঙ্গনে নারীর নিরাপত্তার বিশেষ প্রয়োজন। আর এজন্য প্রত্যেকটি ফেডারেশনে 'সিকিউরিটি অফিসার' নিয়োগ করা অত্যাবশ্যক।"
তিনি আরও যোগ করেন, নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে ফিরিয়ে আনতে কেবল সুযোগ সৃষ্টি করলেই হবে না, বরং তাদের সাহস জোগানোর পাশাপাশি মানসিক ও মানসম্মত আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া জরুরি।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে গত ১৯ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২২ আগস্ট পর্যন্ত এই চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সটি অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী দিনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বিভিন্ন জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশন এবং বিভিন্ন সার্ভিসেস সংস্থাসহ মোট ৪টি ইউনিটের প্রতিনিধি ও ক্রীড়া প্রশাসকেরা অংশগ্রহণপূর্বক সনদ গ্রহণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন