ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কড়া সমালোচনা করে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন উয়েফা প্রধান আলেকসান্দার সেফেরিন। তবে তিনি নিজে আগামী ফিফা নির্বাচনে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) এক সাক্ষাৎকারে সেফেরিন বলেন, ফুটবল বিশ্বের সমর্থন হারিয়েছেন ইনফান্তিনো। ফিফা ফান্ডের নামে ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের শেয়ার বিক্রির যে পরিকল্পনা ইনফান্তিনো করেছিলেন, তাকে ‘সুপার লিগের চেয়েও ভয়ংকর’ বলে অভিহিত করেন উয়েফা সভাপতি। সেফেরিনের মতে, ফুটবলকে এভাবে বাণিজ্যের পণ্যে রূপান্তর করার চেষ্টা রুখে দেওয়া হয়েছে।
সেফেরিন মনে করেন, ইনফান্তিনোর সামনে এখন দুটি পথ খোলা আছে। প্রথমত, ফুটবল সংশ্লিষ্টদের সমর্থন হারিয়েছেন বুঝতে পেরে পদত্যাগ করা। দ্বিতীয়ত, আগামী মার্চের নির্বাচনে কোনো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীর মোকাবিলা করা। যদিও ৫টি মহাদেশীয় সংস্থার বিরোধিতার মুখে ইনফান্তিনোর বিশ্বকাপ পরিকল্পনা এখন ভেস্তে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
নিজে কেন নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন না–এমন প্রশ্নে ৫৮ বছর বয়সী সেফেরিন বলেন, ‘আমি উয়েফায় কাজ করতে ভালোবাসি। এছাড়া ফিফা প্রধানের পদের প্রতি লোভ না থাকলে আমার বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বেশি থাকে।’
সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও মন্তব্য করেন সেফেরিন। তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো রাজনীতিবিদই ফুটবল বা খেলার স্থায়ী বন্ধু হতে পারে না; স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে তারা আর পাশে থাকে না।
/

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কড়া সমালোচনা করে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন উয়েফা প্রধান আলেকসান্দার সেফেরিন। তবে তিনি নিজে আগামী ফিফা নির্বাচনে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) এক সাক্ষাৎকারে সেফেরিন বলেন, ফুটবল বিশ্বের সমর্থন হারিয়েছেন ইনফান্তিনো। ফিফা ফান্ডের নামে ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের শেয়ার বিক্রির যে পরিকল্পনা ইনফান্তিনো করেছিলেন, তাকে ‘সুপার লিগের চেয়েও ভয়ংকর’ বলে অভিহিত করেন উয়েফা সভাপতি। সেফেরিনের মতে, ফুটবলকে এভাবে বাণিজ্যের পণ্যে রূপান্তর করার চেষ্টা রুখে দেওয়া হয়েছে।
সেফেরিন মনে করেন, ইনফান্তিনোর সামনে এখন দুটি পথ খোলা আছে। প্রথমত, ফুটবল সংশ্লিষ্টদের সমর্থন হারিয়েছেন বুঝতে পেরে পদত্যাগ করা। দ্বিতীয়ত, আগামী মার্চের নির্বাচনে কোনো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীর মোকাবিলা করা। যদিও ৫টি মহাদেশীয় সংস্থার বিরোধিতার মুখে ইনফান্তিনোর বিশ্বকাপ পরিকল্পনা এখন ভেস্তে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
নিজে কেন নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন না–এমন প্রশ্নে ৫৮ বছর বয়সী সেফেরিন বলেন, ‘আমি উয়েফায় কাজ করতে ভালোবাসি। এছাড়া ফিফা প্রধানের পদের প্রতি লোভ না থাকলে আমার বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বেশি থাকে।’
সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও মন্তব্য করেন সেফেরিন। তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো রাজনীতিবিদই ফুটবল বা খেলার স্থায়ী বন্ধু হতে পারে না; স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে তারা আর পাশে থাকে না।
/

আপনার মতামত লিখুন