সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের ভিসা বাতিলের ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:১২ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের ভিসা বাতিলের ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে যারা ইতোমধ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা করার প্রক্রিয়ায় আছেন, তাদের নন-ইমিগ্র্যান্ট (অ-অভিবাসী) ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির অভিবাসন নীতির ওপর কঠোর কড়াকড়ির অংশ হিসেবে সোমবার মার্কিন প্রশাসন এই ঘোষণা দিয়েছে।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এই কাজ শুরু করেছেন। তিনি বলেন, “যারা স্বল্পমেয়াদী দর্শনার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এসে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, তাদের শনাক্ত করে ভিসা বাতিল করা হবে।”

স্টেট ডিপার্টমেন্ট নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ না করলেও বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে প্রায় ২ লাখ মানুষের ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভিসা বাতিল হতে পারে। যদি এটি কার্যকর হয়, তবে তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একক কোনো সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বড় গণ-ভিসা বাতিলের ঘটনা।

এপি-র তথ্যমতে, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ইস্যু করা বি১ (ব্যবসায়িক) এবং বি২ (পর্যটন) ভিসাধারীরা এই প্রক্রিয়ার আওতায় পড়বেন। তবে ভিসা বাতিল মানেই তাৎক্ষণিক বহিষ্কার নয়। যাদের আশ্রয়ের আবেদন ঝুলে আছে, তাদের পর্যটক বা ব্যবসায়ী মর্যাদা কেড়ে নিয়ে অন্য শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এর আগে সোমবার মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রসচিব ক্রিস্টোফার ল্যান্ডউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) অভিযোগ করেন যে, আমেরিকার অভিবাসন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে ‘ভিত্তিহীন’ রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনে জর্জরিত হয়ে আছে। চলতি মাসেই স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ বাকস্বাধীনতা ও আইনি প্রক্রিয়াকে লঙ্ঘন করছে। বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য এটি এক অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করছে এবং বর্ণবাদী বৈষম্য বাড়িয়ে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের ভিসা বাতিলের ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রে যারা ইতোমধ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা করার প্রক্রিয়ায় আছেন, তাদের নন-ইমিগ্র্যান্ট (অ-অভিবাসী) ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির অভিবাসন নীতির ওপর কঠোর কড়াকড়ির অংশ হিসেবে সোমবার মার্কিন প্রশাসন এই ঘোষণা দিয়েছে।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এই কাজ শুরু করেছেন। তিনি বলেন, “যারা স্বল্পমেয়াদী দর্শনার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এসে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, তাদের শনাক্ত করে ভিসা বাতিল করা হবে।”

স্টেট ডিপার্টমেন্ট নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ না করলেও বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে প্রায় ২ লাখ মানুষের ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভিসা বাতিল হতে পারে। যদি এটি কার্যকর হয়, তবে তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একক কোনো সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বড় গণ-ভিসা বাতিলের ঘটনা।

এপি-র তথ্যমতে, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ইস্যু করা বি১ (ব্যবসায়িক) এবং বি২ (পর্যটন) ভিসাধারীরা এই প্রক্রিয়ার আওতায় পড়বেন। তবে ভিসা বাতিল মানেই তাৎক্ষণিক বহিষ্কার নয়। যাদের আশ্রয়ের আবেদন ঝুলে আছে, তাদের পর্যটক বা ব্যবসায়ী মর্যাদা কেড়ে নিয়ে অন্য শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এর আগে সোমবার মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রসচিব ক্রিস্টোফার ল্যান্ডউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) অভিযোগ করেন যে, আমেরিকার অভিবাসন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে ‘ভিত্তিহীন’ রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনে জর্জরিত হয়ে আছে। চলতি মাসেই স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ বাকস্বাধীনতা ও আইনি প্রক্রিয়াকে লঙ্ঘন করছে। বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য এটি এক অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করছে এবং বর্ণবাদী বৈষম্য বাড়িয়ে তুলছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত