দীর্ঘ দুই বছরের বিরতি কাটিয়ে আবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদে বসছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচের আসর। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর এই উৎসব আয়োজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতি সভায় এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে অনিবার্য কারণে জেলায় নৌকাবাইচ আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই লোকজ উৎসবের খবরে জেলাজুড়ে বইছে আনন্দের ঢেউ।
জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই এই আয়োজন। তবে মেলা ও বাইচের শৃঙ্খলা রক্ষায় এবার বেশ কিছু কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাইচ চলাকালে কোনো দর্শক নৌকায় সাউন্ড সিস্টেম বা উচ্চশব্দে বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারবেন না। একই সঙ্গে কোনো ধরনের উসকানিমূলক আচরণ বা বাদ্যযন্ত্রের তালে নৌকায় নাচানাচিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, ‘সবার সহযোগিতায় আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে নৌকাবাইচ সম্পন্ন করতে চাই। উৎসবের আমেজ যেন কোনোভাবেই বিশৃঙ্খলায় রূপ না নেয়, সেদিকে কড়া নজর রাখা হবে।’
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানিম সাহেদ রিপন এবং স্থানীয় সাংবাদিক ও নৌকাবাইচ সংগঠকেরা।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ দুই বছরের বিরতি কাটিয়ে আবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদে বসছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচের আসর। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর এই উৎসব আয়োজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতি সভায় এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে অনিবার্য কারণে জেলায় নৌকাবাইচ আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই লোকজ উৎসবের খবরে জেলাজুড়ে বইছে আনন্দের ঢেউ।
জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই এই আয়োজন। তবে মেলা ও বাইচের শৃঙ্খলা রক্ষায় এবার বেশ কিছু কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাইচ চলাকালে কোনো দর্শক নৌকায় সাউন্ড সিস্টেম বা উচ্চশব্দে বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারবেন না। একই সঙ্গে কোনো ধরনের উসকানিমূলক আচরণ বা বাদ্যযন্ত্রের তালে নৌকায় নাচানাচিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, ‘সবার সহযোগিতায় আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে নৌকাবাইচ সম্পন্ন করতে চাই। উৎসবের আমেজ যেন কোনোভাবেই বিশৃঙ্খলায় রূপ না নেয়, সেদিকে কড়া নজর রাখা হবে।’
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানিম সাহেদ রিপন এবং স্থানীয় সাংবাদিক ও নৌকাবাইচ সংগঠকেরা।

আপনার মতামত লিখুন