আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোট ছাড়াই এককভাবে অংশ নেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে দেশের প্রায় ৫ হাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে দলটি।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের স্টেশন রোডের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। দলটির বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান এবং আগামীর নির্বাচনী পরিকল্পনা তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সারজিস আলম বলেন, ‘এনসিপি প্রতিটি সেক্টরে একক প্রার্থী দিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। ইতোমধ্যে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ১০০টি এলাকায় প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হবে।’ তিনি আরও জানান, ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে সংগঠনের কমিটি বিস্তৃত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এনসিপি।
সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান সরকারের ৬ মাসের কার্যক্রমের সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বিগত ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। বাজার পরিস্থিতির ঊর্ধ্বগতির উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বর্তমান বেতন দিয়ে ১৫ দিন চলাও কঠিন হয়ে পড়েছে। অথচ নতুন পে-স্কেল নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে।’
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট এবং চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ খাতের দুরবস্থা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, বাণিজ্যিক রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও সামান্য চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের মানুষকে ঢাকায় ছুটতে হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও আলী আহসান জুনায়েদ। সারোয়ার তুষার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বলেন, জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ব্যর্থ হলে এনসিপি রাজপথে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুব শক্তির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল, জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক আবু বকর মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ এবং এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম সুজাউদ্দিন প্রমুখ।
\

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোট ছাড়াই এককভাবে অংশ নেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে দেশের প্রায় ৫ হাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে দলটি।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের স্টেশন রোডের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। দলটির বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান এবং আগামীর নির্বাচনী পরিকল্পনা তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সারজিস আলম বলেন, ‘এনসিপি প্রতিটি সেক্টরে একক প্রার্থী দিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। ইতোমধ্যে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ১০০টি এলাকায় প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হবে।’ তিনি আরও জানান, ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে সংগঠনের কমিটি বিস্তৃত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এনসিপি।
সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান সরকারের ৬ মাসের কার্যক্রমের সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বিগত ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। বাজার পরিস্থিতির ঊর্ধ্বগতির উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বর্তমান বেতন দিয়ে ১৫ দিন চলাও কঠিন হয়ে পড়েছে। অথচ নতুন পে-স্কেল নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে।’
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট এবং চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ খাতের দুরবস্থা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, বাণিজ্যিক রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও সামান্য চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের মানুষকে ঢাকায় ছুটতে হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও আলী আহসান জুনায়েদ। সারোয়ার তুষার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বলেন, জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ব্যর্থ হলে এনসিপি রাজপথে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুব শক্তির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল, জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক আবু বকর মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ এবং এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম সুজাউদ্দিন প্রমুখ।
\

আপনার মতামত লিখুন