দেশের বাইকপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় (সিবিইউ) সর্বোচ্চ ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। নতুন ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯’ জারি করে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২১-২০২৪
সালের নীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ
তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি
শক্তিশালী মোটরসাইকেল আমদানিতে কঠোর বিধিনিষেধ বহাল
ছিল। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা নতুন
এই গেজেটের ফলে দেশের বাইকিং
কালচারে এক নতুন অধ্যায়ের
সূচনা হলো, যা আগামী
২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত
কার্যকর থাকবে।
দেশের
আমদানি ব্যবস্থাকে আধুনিক, স্বচ্ছ এবং ব্যবসাবান্ধব করতেই
মূলত এই নতুন নীতি
প্রণয়ন করা হয়েছে। বাণিজ্য
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈশ্বিক বাজারে
দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এখন
থেকে এলসি খোলার ঝক্কি
ছাড়াই এবং কোনো ধরনের
মূল্যসীমা না রেখে সরাসরি
ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের
আমদানিকারকেরা পণ্য আনতে পারবেন।
এর ফলে বাণিজ্য পরিচালনায়
জটিলতা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা
অনেকটাই কেটে যাবে।
নতুন
নীতিতে কেবল বাইক আমদানি
নয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে মানসম্পন্ন
পণ্য আনা নিশ্চিত করতে
বিএসটিআই এবং বৈশ্বিক ট্রেড
কোড অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্ট
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নীতি দেশের
শিল্পায়ন ও বৈশ্বিক সরবরাহ
ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে।
মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন)
ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধানের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমদানি সুবিধাও বিস্তৃত করা হয়েছে। সার্বিকভাবে
নতুন এই পদক্ষেপ দেশের
বাণিজ্য খাতকে এক নতুন উচ্চতায়
নিয়ে যাবে।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
দেশের বাইকপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় (সিবিইউ) সর্বোচ্চ ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। নতুন ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯’ জারি করে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২১-২০২৪
সালের নীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ
তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি
শক্তিশালী মোটরসাইকেল আমদানিতে কঠোর বিধিনিষেধ বহাল
ছিল। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা নতুন
এই গেজেটের ফলে দেশের বাইকিং
কালচারে এক নতুন অধ্যায়ের
সূচনা হলো, যা আগামী
২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত
কার্যকর থাকবে।
দেশের
আমদানি ব্যবস্থাকে আধুনিক, স্বচ্ছ এবং ব্যবসাবান্ধব করতেই
মূলত এই নতুন নীতি
প্রণয়ন করা হয়েছে। বাণিজ্য
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈশ্বিক বাজারে
দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এখন
থেকে এলসি খোলার ঝক্কি
ছাড়াই এবং কোনো ধরনের
মূল্যসীমা না রেখে সরাসরি
ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের
আমদানিকারকেরা পণ্য আনতে পারবেন।
এর ফলে বাণিজ্য পরিচালনায়
জটিলতা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা
অনেকটাই কেটে যাবে।
নতুন
নীতিতে কেবল বাইক আমদানি
নয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে মানসম্পন্ন
পণ্য আনা নিশ্চিত করতে
বিএসটিআই এবং বৈশ্বিক ট্রেড
কোড অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্ট
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নীতি দেশের
শিল্পায়ন ও বৈশ্বিক সরবরাহ
ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে।
মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন)
ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধানের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমদানি সুবিধাও বিস্তৃত করা হয়েছে। সার্বিকভাবে
নতুন এই পদক্ষেপ দেশের
বাণিজ্য খাতকে এক নতুন উচ্চতায়
নিয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন