সংবাদ

সৌদি-পাক-তুর্কি জোটে বাংলাদেশ : যা বললেন প্রতিমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৯ এএম

সৌদি-পাক-তুর্কি জোটে বাংলাদেশ : যা বললেন প্রতিমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা ত্রিপক্ষীয় সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। তবে যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনীতি ও জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করা হবে।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (২) শামা ওবায়েদ। তিনি জানান, বিশ্বরাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক জোটে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘মক্কা চুক্তি মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে। এই জোটের মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা। অর্থাৎ জোটভুক্ত কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এটি শুধু সামরিক সহযোগিতা নয়, বরং সদস্যদেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জননিরাপত্তার বিষয়টিও এর অন্তর্ভুক্ত।’

বাংলাদেশ কেন এই জোটে আগ্রহী-এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তুরস্কের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সৌদি আরবে প্রায় ৪০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত। এই দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। তাই এই জোটে যোগ দিলে আমাদের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কতটা বাড়বে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে সার্ক, বিমসটেক, কোয়াড বা ব্রিকসের মতো অনেক জোট সক্রিয় রয়েছে। বাংলাদেশ তার পররাষ্ট্রনীতির লাভ-ক্ষতি বিবেচনা করেই যেকোনো জোটে যোগ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট পবিত্র মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এই ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এই জোটকে অনেকে ‘মুসলিম বিশ্বের ন্যাটো’ হিসেবেও অভিহিত করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


সৌদি-পাক-তুর্কি জোটে বাংলাদেশ : যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা ত্রিপক্ষীয় সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। তবে যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনীতি ও জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করা হবে।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (২) শামা ওবায়েদ। তিনি জানান, বিশ্বরাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক জোটে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘মক্কা চুক্তি মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে। এই জোটের মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা। অর্থাৎ জোটভুক্ত কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এটি শুধু সামরিক সহযোগিতা নয়, বরং সদস্যদেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জননিরাপত্তার বিষয়টিও এর অন্তর্ভুক্ত।’

বাংলাদেশ কেন এই জোটে আগ্রহী-এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তুরস্কের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সৌদি আরবে প্রায় ৪০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত। এই দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। তাই এই জোটে যোগ দিলে আমাদের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কতটা বাড়বে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে সার্ক, বিমসটেক, কোয়াড বা ব্রিকসের মতো অনেক জোট সক্রিয় রয়েছে। বাংলাদেশ তার পররাষ্ট্রনীতির লাভ-ক্ষতি বিবেচনা করেই যেকোনো জোটে যোগ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট পবিত্র মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এই ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এই জোটকে অনেকে ‘মুসলিম বিশ্বের ন্যাটো’ হিসেবেও অভিহিত করছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত