চাঁদপুর জেলা স্টেডিয়াম ব্যবহার নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা কাটাতে জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) চাঁদপুর জেলা শাখার মধ্যে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনার ইতিবাচক পরিবেশের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াব তাদের পূর্বঘোষিত প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয়ে এই যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব জয়নাল আবেদীন জনু জানান, স্থানীয় খেলোয়াড়দের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখতে ফুটবলের পাশাপাশি সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিন ক্রিকেটাররা যেন মাঠ ব্যবহারের সুযোগ পান, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিকের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত ও সন্তোষজনক সমাধান করা হবে।
সভায় কোয়াবের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও কোয়াবের কেন্দ্রীয় জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মেহেদী হাসান রানা। তিনি বলেন, ‘অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ক্রিকেটের মূল মৌসুম। এই সময়ে মাঠ না পেলে স্থানীয় ক্রিকেটাররা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তবে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে এবং সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনার অপেক্ষায় আমরা কর্মসূচি স্থগিত করেছি।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য আনোয়ার হোসেন মানিক, আহমেদ হাসান আল জায়েদ রিফাই, কোয়াব চাঁদপুরের ইনচার্জ মোরসালিন খানসহ স্থানীয় ক্রিকেটাররা।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বিভিন্ন টুর্নামেন্ট ও ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ‘হোম ভেন্যু’ হিসেবে ব্যবহারের জন্য আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত স্টেডিয়ামটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের জন্য মাঠটি কেবল ফুটবলের জন্য বরাদ্দ দেওয়ায় স্থানীয় ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই স্টেডিয়ামে ফুটবল ও ক্রিকেট—উভয় খেলার সুস্থ পরিবেশ বজায় থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন