সংবাদ

সুনামগঞ্জে ওয়ারিশ আলী হত্যা : ২ জনের যাবজ্জীবন, ৯ জনের জেল


প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ
প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম

সুনামগঞ্জে ওয়ারিশ আলী হত্যা : ২ জনের যাবজ্জীবন, ৯ জনের জেল
ছবি : সংবাদ

সুনামগঞ্জ শহরের আলোচিত ওয়ারিশ আলী হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন ও নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-পৌর শহরের ওয়েজখালী এলাকার বাদশা মিয়া ও খেলু মিয়া ওরফে ফেলু মিয়া। একই রায়ে চার আসামিকে সাত বছর এবং পাঁচ আসামিকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মামলার অপর ১০ আসামিকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

সাত বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-রামিজ আলী, নুরুল মিয়া, খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামান। দুই বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-রাজা মিয়া, জগলু মিয়া, নূর উদ্দিন, সহিনুর মিয়া ও তাহের মিয়া। সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ওয়েজখালী এলাকার খোরশেদ আলম ও আলী হায়দার গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ২০১৪ সালের ২৯ জুলাই ঈদের দিন সকালে একটি মসজিদে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ওয়ারিশ আলী গুরুতর আহত হন। ওই বছরের ৪ আগস্ট সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় করা মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ এই রায় দিলেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া মামলার বিচার চলাকালে দুই আসামি মারা যাওয়ায় তাঁদের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


সুনামগঞ্জে ওয়ারিশ আলী হত্যা : ২ জনের যাবজ্জীবন, ৯ জনের জেল

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জ শহরের আলোচিত ওয়ারিশ আলী হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন ও নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-পৌর শহরের ওয়েজখালী এলাকার বাদশা মিয়া ও খেলু মিয়া ওরফে ফেলু মিয়া। একই রায়ে চার আসামিকে সাত বছর এবং পাঁচ আসামিকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মামলার অপর ১০ আসামিকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

সাত বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-রামিজ আলী, নুরুল মিয়া, খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামান। দুই বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-রাজা মিয়া, জগলু মিয়া, নূর উদ্দিন, সহিনুর মিয়া ও তাহের মিয়া। সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ওয়েজখালী এলাকার খোরশেদ আলম ও আলী হায়দার গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ২০১৪ সালের ২৯ জুলাই ঈদের দিন সকালে একটি মসজিদে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ওয়ারিশ আলী গুরুতর আহত হন। ওই বছরের ৪ আগস্ট সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় করা মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ এই রায় দিলেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া মামলার বিচার চলাকালে দুই আসামি মারা যাওয়ায় তাঁদের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত