যশোরের বেনাপোল সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযানে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, চোরাচালান রোধে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে বেনাপোল বিওপি ও বেনাপোল চেকপোস্ট (আইসিপি) ক্যাম্পের সদস্যরা শুক্রবার সীমান্তে অভিযান চালান। এ সময় পাচারকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৭৫টি ভারতীয় উন্নত মানের শাড়ি, আরও ৩২টি সাধারণ শাড়ি, ৩৪ কেজি ফুসকা, সাড়ে ২৪ কেজি কিসমিস, দুই কেজি জিরা, ২২টি চকলেট, তিনটি কম্বল এবং ৩৭৯টি কসমেটিকস সামগ্রী।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান পণ্য পাচার রোধে বিজিবির বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা ও আভিযানিক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এরই ধারাবাহিকতায় নিয়মিত তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান পণ্য জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে। সীমান্তে বিজিবির এই কঠোর অবস্থান ও আভিযানিক তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযানে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, চোরাচালান রোধে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে বেনাপোল বিওপি ও বেনাপোল চেকপোস্ট (আইসিপি) ক্যাম্পের সদস্যরা শুক্রবার সীমান্তে অভিযান চালান। এ সময় পাচারকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৭৫টি ভারতীয় উন্নত মানের শাড়ি, আরও ৩২টি সাধারণ শাড়ি, ৩৪ কেজি ফুসকা, সাড়ে ২৪ কেজি কিসমিস, দুই কেজি জিরা, ২২টি চকলেট, তিনটি কম্বল এবং ৩৭৯টি কসমেটিকস সামগ্রী।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান পণ্য পাচার রোধে বিজিবির বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা ও আভিযানিক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এরই ধারাবাহিকতায় নিয়মিত তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান পণ্য জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে। সীমান্তে বিজিবির এই কঠোর অবস্থান ও আভিযানিক তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন