নেপাল-চীন সীমান্তে সৃষ্ট একটি বাধাপ্রাপ্ত হ্রদ (বারিয়ার লেক) এখনো উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করছে বলে সতর্ক করেছে চীন। কাঠমান্ডুতে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, বরফ ও পাথর ধসে সৃষ্ট এই হ্রদের পানি উচ্চমাত্রায় রয়েছে এবং তা উপচে পড়ছে। বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় উভয় দেশের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র জানান, চীন-নেপাল সীমান্ত নদীর উপরের অংশে নেপালের দিকে একটি উপনদীতে এই ধস ঘটে, যা নদীটি বন্ধ করে দিয়ে ভূমিধস-সৃষ্ট হ্রদের সৃষ্টি করে। বর্তমানে হ্রদের পানি উচ্চমাত্রায় রয়েছে এবং তা উপচে পড়তে শুরু করেছে। বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি এখনো রয়েছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
মুখপাত্র আরও বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি নেপাল ও চীন উভয় দেশের জন্য উদ্ধার ও জরুরি প্রতিক্রিয়ার জন্য একটি সংকটপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে।’
এর আগে খবর পাওয়া গিয়েছিল যে, ছোচেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে একটি বিশাল বাধাপ্রাপ্ত হ্রদ তৈরি হয়েছে এবং তা ভেঙে গেছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে চীনা দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে হ্রদের আকার বা পানির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি, এবং বাঁধ কখন ভাঙতে পারে সে বিষয়েও কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেনি।
দূতাবাস হ্রদের নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারী সম্প্রদায় ও জনগণকে নদীর পানি বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, সতর্ক থাকা এবং সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতির প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। নেপাল ও চীনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ঝুঁকি মূল্যায়ন অব্যাহত রেখেছে বলে জানানো হয়েছে।
এই সতর্কতা এমন সময় এলো, যখন নেপাল রাসুয়াসহ বেশ কয়েকটি জেলায় গুরুতর বন্যা ও ভূমিধসের সম্মুখীন হচ্ছে। চীনা দূতাবাস জনগণকে কর্তৃপক্ষের নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর আস্থা রাখতে এবং অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক ছড়াতে পারে- এমন অযাচাইকৃত প্রতিবেদন ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সূত্র: কাঠমুন্ড পোস্ট

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
নেপাল-চীন সীমান্তে সৃষ্ট একটি বাধাপ্রাপ্ত হ্রদ (বারিয়ার লেক) এখনো উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করছে বলে সতর্ক করেছে চীন। কাঠমান্ডুতে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, বরফ ও পাথর ধসে সৃষ্ট এই হ্রদের পানি উচ্চমাত্রায় রয়েছে এবং তা উপচে পড়ছে। বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় উভয় দেশের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র জানান, চীন-নেপাল সীমান্ত নদীর উপরের অংশে নেপালের দিকে একটি উপনদীতে এই ধস ঘটে, যা নদীটি বন্ধ করে দিয়ে ভূমিধস-সৃষ্ট হ্রদের সৃষ্টি করে। বর্তমানে হ্রদের পানি উচ্চমাত্রায় রয়েছে এবং তা উপচে পড়তে শুরু করেছে। বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি এখনো রয়েছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
মুখপাত্র আরও বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি নেপাল ও চীন উভয় দেশের জন্য উদ্ধার ও জরুরি প্রতিক্রিয়ার জন্য একটি সংকটপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে।’
এর আগে খবর পাওয়া গিয়েছিল যে, ছোচেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে একটি বিশাল বাধাপ্রাপ্ত হ্রদ তৈরি হয়েছে এবং তা ভেঙে গেছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে চীনা দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে হ্রদের আকার বা পানির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি, এবং বাঁধ কখন ভাঙতে পারে সে বিষয়েও কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেনি।
দূতাবাস হ্রদের নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারী সম্প্রদায় ও জনগণকে নদীর পানি বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, সতর্ক থাকা এবং সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতির প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। নেপাল ও চীনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ঝুঁকি মূল্যায়ন অব্যাহত রেখেছে বলে জানানো হয়েছে।
এই সতর্কতা এমন সময় এলো, যখন নেপাল রাসুয়াসহ বেশ কয়েকটি জেলায় গুরুতর বন্যা ও ভূমিধসের সম্মুখীন হচ্ছে। চীনা দূতাবাস জনগণকে কর্তৃপক্ষের নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর আস্থা রাখতে এবং অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক ছড়াতে পারে- এমন অযাচাইকৃত প্রতিবেদন ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সূত্র: কাঠমুন্ড পোস্ট

আপনার মতামত লিখুন