মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত ধারাবাহিক নাটক ‘মিডল ক্লাস ফ্যামিলি’ ১০০ পর্বে পা দিয়েছে। আওরঙ্গজেবের রচনায় ও নজরুল ইসলাম রাজুর পরিচালনায় নির্মিত নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শরাফ আহমেদ জীবন, নাজিয়া হক অর্ষা, সায়েদ জামান শাওন, নাবিলা ইসলাম, নিশাত প্রিয়ম, অদিতি জামান স্নেহা, জান্নাত আক্তার, নাদের চৌধুরী, মিলি বাসার, তানজিম হাসান অনিক, সাদ্দাম মালসহ অনেকে।
ঢাকা শহরের একটি
মধ্যবিত্ত পরিবারের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, পাওয়া-না পাওয়া এবং জীবনসংগ্রামের গল্প
নিয়ে নির্মিত হয়েছে ধারাবাহিকটি। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জমিরউদ্দিন
সরকার। আদর্শ শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শেষ করা জমিরউদ্দিন স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে
নিয়ে সংসার করেন।
পরিবারটির প্রতিটি
চরিত্রই যেন বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত সমাজের একেকটি প্রতিচ্ছবি। বড় ছেলে মবিন মধ্যবিত্ত
জীবনের সীমাবদ্ধতা ভেঙে প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়। অন্যদিকে ছোট ছেলে বাবার
আদর্শকেই জীবনের সার্থকতা মনে করে। দুই মেয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি স্বাধীনচেতা জীবনযাপন
করতে চায়। আর মা এখনো সন্তানদের ছোট মনে করে ভালোবাসা ও যত্ন দিয়ে আগলে রাখতে চান।
জমিরউদ্দিন সরকারের
স্বপ্ন, সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি গ্রামে ফিরে গিয়ে বাকি জীবন কাটাবেন। তবে নানা
সংকট ও প্রতিবন্ধকতায় সেই স্বপ্ন বারবার বাধাগ্রস্ত হয়। মধ্যবিত্ত পরিবারের চেনা টানাপোড়েন,
সামাজিক বাস্তবতা ও জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।
নির্মাতা নজরুল
ইসলাম রাজু বলেন, ‘মধ্যবিত্ত পরিবারের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এখানে। এই
পরিবারের মধ্য দিয়ে সমাজের একটা চিত্র উঠে আসে। চরিত্রগুলোতে দর্শকরা নিজেদের খুঁজে
পাবেন।’

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত ধারাবাহিক নাটক ‘মিডল ক্লাস ফ্যামিলি’ ১০০ পর্বে পা দিয়েছে। আওরঙ্গজেবের রচনায় ও নজরুল ইসলাম রাজুর পরিচালনায় নির্মিত নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শরাফ আহমেদ জীবন, নাজিয়া হক অর্ষা, সায়েদ জামান শাওন, নাবিলা ইসলাম, নিশাত প্রিয়ম, অদিতি জামান স্নেহা, জান্নাত আক্তার, নাদের চৌধুরী, মিলি বাসার, তানজিম হাসান অনিক, সাদ্দাম মালসহ অনেকে।
ঢাকা শহরের একটি
মধ্যবিত্ত পরিবারের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, পাওয়া-না পাওয়া এবং জীবনসংগ্রামের গল্প
নিয়ে নির্মিত হয়েছে ধারাবাহিকটি। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জমিরউদ্দিন
সরকার। আদর্শ শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শেষ করা জমিরউদ্দিন স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে
নিয়ে সংসার করেন।
পরিবারটির প্রতিটি
চরিত্রই যেন বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত সমাজের একেকটি প্রতিচ্ছবি। বড় ছেলে মবিন মধ্যবিত্ত
জীবনের সীমাবদ্ধতা ভেঙে প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়। অন্যদিকে ছোট ছেলে বাবার
আদর্শকেই জীবনের সার্থকতা মনে করে। দুই মেয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি স্বাধীনচেতা জীবনযাপন
করতে চায়। আর মা এখনো সন্তানদের ছোট মনে করে ভালোবাসা ও যত্ন দিয়ে আগলে রাখতে চান।
জমিরউদ্দিন সরকারের
স্বপ্ন, সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি গ্রামে ফিরে গিয়ে বাকি জীবন কাটাবেন। তবে নানা
সংকট ও প্রতিবন্ধকতায় সেই স্বপ্ন বারবার বাধাগ্রস্ত হয়। মধ্যবিত্ত পরিবারের চেনা টানাপোড়েন,
সামাজিক বাস্তবতা ও জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।
নির্মাতা নজরুল
ইসলাম রাজু বলেন, ‘মধ্যবিত্ত পরিবারের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এখানে। এই
পরিবারের মধ্য দিয়ে সমাজের একটা চিত্র উঠে আসে। চরিত্রগুলোতে দর্শকরা নিজেদের খুঁজে
পাবেন।’

আপনার মতামত লিখুন