ছোটবেলা থেকে গানের সঙ্গে মিতুয়া হেমার পথচলা। বাফা থেকে শুরু হওয়া তার সংগীতজীবন ধীরে ধীরে আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। মিউজিক কলেজ থেকে এসএসসি, শান্তা মারিয়াম থেকে মিউজিকে ডিপ্লোমা এবং ইউডা থেকে মিউজিকে অনার্স সম্পন্ন করেছেন তিনি। দীর্ঘ এই সংগীতযাত্রায় গানের প্রতি তার ভালোবাসা আরও গভীর হয়েছে। পেশাগতভাবে অন্য দায়িত্বে থাকলেও মনেপ্রাণে নিজেকে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবেই ভাবেন মিতুয়া।
সংগীতের পাশাপাশি
এআইইউবি থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন তিনি। বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক থেকে এলএলএম করছেন।
রাজধানীর নিকেতনের একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিতে হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং
হিসেবে কর্মরত আছেন। তবে কর্মজীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও গানকে ঘিরেই তার সবচেয়ে বেশি
মগ্নতা।
মিতুয়া হেমার কণ্ঠে
প্রকাশিত মৌলিক গানের অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে ‘সাজনা’, ‘দূরে কী থাকা যায়’ ও ‘তুমি
আমার’। এছাড়া বেশ কয়েকটি মিক্সড অ্যালবামেও গান করেছেন তিনি। পুরোনো দিনের বাংলা ও
হিন্দি গান গাইতে তার বিশেষ ভালো লাগে। পাশাপাশি ফোক গানেও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই
শিল্পী।
গানের সুবাদে দেশ-বিদেশে
ঘুরে বেড়ানোরও সুযোগ হয়েছে তার। ইতোমধ্যে পনেরোটিরও বেশি দেশ ভ্রমণ করেছেন গান গেয়ে।
এর মধ্যে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড,
সিঙ্গাপুর, হংকং ও মালয়েশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ উল্লেখযোগ্য।
চাকরির পাশাপাশি
নিয়মিত স্টেজ শোতেও গান করছেন মিতুয়া। নিজের সময়কে সেভাবেই ম্যানেজ করে নেন তিনি। গান
নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্নও বেশ বড় এই শিল্পীর।
মিতুয়া হেমা বলেন,
‘গানে নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপনের জন্য গানের ওপরই অনেক পড়াশোনা করেছি, যা আমার কাজে
লাগছে। চেষ্টা করি নিয়মিত গানের চর্চাটা রাখতে। যদিও আমি চাকরি করি, কিন্তু আমার ধ্যান-জ্ঞান
বলা যায় গানকে ঘিরেই। যখনই কোনো স্টেজ শোর কাজ আসে, সময়টা ম্যানেজ করে নিই। সত্যি বলতে
কী, গানে গানে আমি অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই। গান গাইতে পারলে ভীষণ শান্তি লাগে।’
পুরান ঢাকার মেয়ে
মিতুয়া হেমা। তার বাবা মিঠু চৌধুরী ও মা সান্ত্বনা মিঠু। তার একমাত্র সন্তান আরিয়ান
ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও তার আলাদা স্বপ্ন রয়েছে। মিতুয়া বলেন,
‘আমার একমাত্র সন্তান আরিয়ানকে মানুষের মতো মানুষ করতে চাই।’

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
ছোটবেলা থেকে গানের সঙ্গে মিতুয়া হেমার পথচলা। বাফা থেকে শুরু হওয়া তার সংগীতজীবন ধীরে ধীরে আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। মিউজিক কলেজ থেকে এসএসসি, শান্তা মারিয়াম থেকে মিউজিকে ডিপ্লোমা এবং ইউডা থেকে মিউজিকে অনার্স সম্পন্ন করেছেন তিনি। দীর্ঘ এই সংগীতযাত্রায় গানের প্রতি তার ভালোবাসা আরও গভীর হয়েছে। পেশাগতভাবে অন্য দায়িত্বে থাকলেও মনেপ্রাণে নিজেকে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবেই ভাবেন মিতুয়া।
সংগীতের পাশাপাশি
এআইইউবি থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন তিনি। বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক থেকে এলএলএম করছেন।
রাজধানীর নিকেতনের একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিতে হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং
হিসেবে কর্মরত আছেন। তবে কর্মজীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও গানকে ঘিরেই তার সবচেয়ে বেশি
মগ্নতা।
মিতুয়া হেমার কণ্ঠে
প্রকাশিত মৌলিক গানের অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে ‘সাজনা’, ‘দূরে কী থাকা যায়’ ও ‘তুমি
আমার’। এছাড়া বেশ কয়েকটি মিক্সড অ্যালবামেও গান করেছেন তিনি। পুরোনো দিনের বাংলা ও
হিন্দি গান গাইতে তার বিশেষ ভালো লাগে। পাশাপাশি ফোক গানেও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই
শিল্পী।
গানের সুবাদে দেশ-বিদেশে
ঘুরে বেড়ানোরও সুযোগ হয়েছে তার। ইতোমধ্যে পনেরোটিরও বেশি দেশ ভ্রমণ করেছেন গান গেয়ে।
এর মধ্যে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড,
সিঙ্গাপুর, হংকং ও মালয়েশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ উল্লেখযোগ্য।
চাকরির পাশাপাশি
নিয়মিত স্টেজ শোতেও গান করছেন মিতুয়া। নিজের সময়কে সেভাবেই ম্যানেজ করে নেন তিনি। গান
নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্নও বেশ বড় এই শিল্পীর।
মিতুয়া হেমা বলেন,
‘গানে নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপনের জন্য গানের ওপরই অনেক পড়াশোনা করেছি, যা আমার কাজে
লাগছে। চেষ্টা করি নিয়মিত গানের চর্চাটা রাখতে। যদিও আমি চাকরি করি, কিন্তু আমার ধ্যান-জ্ঞান
বলা যায় গানকে ঘিরেই। যখনই কোনো স্টেজ শোর কাজ আসে, সময়টা ম্যানেজ করে নিই। সত্যি বলতে
কী, গানে গানে আমি অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই। গান গাইতে পারলে ভীষণ শান্তি লাগে।’
পুরান ঢাকার মেয়ে
মিতুয়া হেমা। তার বাবা মিঠু চৌধুরী ও মা সান্ত্বনা মিঠু। তার একমাত্র সন্তান আরিয়ান
ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও তার আলাদা স্বপ্ন রয়েছে। মিতুয়া বলেন,
‘আমার একমাত্র সন্তান আরিয়ানকে মানুষের মতো মানুষ করতে চাই।’

আপনার মতামত লিখুন