গণতান্ত্রিক সংস্কার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুবসমাজের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকায় মতবিনিময় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) ডেইলি স্টার সেন্টারে ‘Joining Youth in Effective Engagement in Reform Agendas in Bangladesh (JoYEE)’ প্রকল্পের আওতায় ভয়েস ও দ্য বাংলাদেশ ডায়ালগ যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
সংলাপে তরুণদের অগ্রাধিকার, উদ্বেগ ও সুপারিশের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ, জবাবদিহিতা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও নাগরিক অধিকার নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ এখনও সীমিত।
লেখক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ বলেন, তরুণদের স্বাধীনভাবে কথা বলা ও অর্থবহ অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। গণমাধ্যমকেও তরুণদের মতামত তুলে ধরার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
মিডিয়া ব্যক্তিত্ব দীপ্তি চৌধুরী তরুণ, বিশেষ করে তরুণ নারীদের জন্য নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদ আসলাম বেগ সায়েম রাজনৈতিক জবাবদিহিতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
ভয়েস-এর নির্বাহী পরিচালক ও সংলাপের সঞ্চালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, তরুণদের অংশগ্রহণ শুধু পরামর্শ বা প্রতীকী প্রতিনিধিত্বে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের প্রভাব রাখার সুযোগ তৈরি করতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন।
সংলাপে তরুণ প্রতিনিধি, রাজনৈতিক কর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, অ্যাক্টিভিস্ট, গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন অংশীজন অংশ নেন। বক্তারা তরুণ নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে তরুণদের ধারাবাহিক সংলাপের সুযোগ তৈরির আহ্বান জানান।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
গণতান্ত্রিক সংস্কার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুবসমাজের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকায় মতবিনিময় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) ডেইলি স্টার সেন্টারে ‘Joining Youth in Effective Engagement in Reform Agendas in Bangladesh (JoYEE)’ প্রকল্পের আওতায় ভয়েস ও দ্য বাংলাদেশ ডায়ালগ যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
সংলাপে তরুণদের অগ্রাধিকার, উদ্বেগ ও সুপারিশের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ, জবাবদিহিতা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও নাগরিক অধিকার নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ এখনও সীমিত।
লেখক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ বলেন, তরুণদের স্বাধীনভাবে কথা বলা ও অর্থবহ অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। গণমাধ্যমকেও তরুণদের মতামত তুলে ধরার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
মিডিয়া ব্যক্তিত্ব দীপ্তি চৌধুরী তরুণ, বিশেষ করে তরুণ নারীদের জন্য নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদ আসলাম বেগ সায়েম রাজনৈতিক জবাবদিহিতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
ভয়েস-এর নির্বাহী পরিচালক ও সংলাপের সঞ্চালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, তরুণদের অংশগ্রহণ শুধু পরামর্শ বা প্রতীকী প্রতিনিধিত্বে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের প্রভাব রাখার সুযোগ তৈরি করতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন।
সংলাপে তরুণ প্রতিনিধি, রাজনৈতিক কর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, অ্যাক্টিভিস্ট, গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন অংশীজন অংশ নেন। বক্তারা তরুণ নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে তরুণদের ধারাবাহিক সংলাপের সুযোগ তৈরির আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন