রাজধানীর মিরপুরের জেনেভা-পল্লবী ক্যাম্পে মরদেহ গোসল করানোর ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপিপন্থি দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে গুলির খোসাও পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার পর পল্লবীর তালাব ক্যাম্পের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পের ১১ নম্বর ব্লকের ৪ নম্বর লাইনে মরদেহ গোসল করানোর ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধের সূত্রপাত হয়। এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপির সমর্থক সাদাকাত খান ফাক্কু। অন্য পক্ষে ছিলেন জামায়াত সমর্থিত মানিক ও সুমন।
বাসিন্দারা জানান, মানিক ও সুমনের নেতৃত্বে ক্যাম্পে মরদেহ গোসল করানোর ঘর নির্মাণের কাজ চলছিল। এতে বাধা দেন ফাক্কুর অনুসারীরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ বলছে, স্থানীয় জামায়াত কর্মী মানিকের নেতৃত্বে আনুমানিক ৫০-৬০ জন এবং বিএনপিপন্থি সোহেল ও আটকে পড়া পাকিস্তানিদের সংগঠনের নেতা সাদাকাত খান ফাক্কুর নেতৃত্বাধীন ২০০-২৫০ জনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, ‘ক্যাম্পে একটি মৃতদেহের গোসলখানা তৈরি করা হচ্ছিল। সেখানে পানির পাম্প বসানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পানির পাম্প বসানো নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। ঝামেলাটা তাদের আভ্যন্তরীণ; পরে এর জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ছড়ায়।’
তিনি বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের জেনেভা-পল্লবী ক্যাম্পে মরদেহ গোসল করানোর ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপিপন্থি দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে গুলির খোসাও পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার পর পল্লবীর তালাব ক্যাম্পের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পের ১১ নম্বর ব্লকের ৪ নম্বর লাইনে মরদেহ গোসল করানোর ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধের সূত্রপাত হয়। এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপির সমর্থক সাদাকাত খান ফাক্কু। অন্য পক্ষে ছিলেন জামায়াত সমর্থিত মানিক ও সুমন।
বাসিন্দারা জানান, মানিক ও সুমনের নেতৃত্বে ক্যাম্পে মরদেহ গোসল করানোর ঘর নির্মাণের কাজ চলছিল। এতে বাধা দেন ফাক্কুর অনুসারীরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ বলছে, স্থানীয় জামায়াত কর্মী মানিকের নেতৃত্বে আনুমানিক ৫০-৬০ জন এবং বিএনপিপন্থি সোহেল ও আটকে পড়া পাকিস্তানিদের সংগঠনের নেতা সাদাকাত খান ফাক্কুর নেতৃত্বাধীন ২০০-২৫০ জনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, ‘ক্যাম্পে একটি মৃতদেহের গোসলখানা তৈরি করা হচ্ছিল। সেখানে পানির পাম্প বসানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পানির পাম্প বসানো নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। ঝামেলাটা তাদের আভ্যন্তরীণ; পরে এর জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ছড়ায়।’
তিনি বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন