নাটোরের বাগাতিপাড়ায় রেললাইনে ফাটল দেখা দেওয়ায় রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ প্রায় দুই ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন ছিল। এতে রাজশাহী ও আব্দুলপুর স্টেশনে অন্তত ছয়টি ট্রেন আটকা পড়লে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে জরুরি মেরামত শেষে বর্তমানে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার লোকমানপুর স্টেশন সংলগ্ন ২২৭/০ নম্বর রেল পিলারের কাছে এই ফাটল শনাক্ত হয়।
রেলওয়ে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত পরিদর্শনের সময় রেলকর্মীরা লাইনের ওই অংশে ফাটল দেখতে পান। বিষয়টি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, তিতুমীর এক্সপ্রেস, মধুমতী ও একটি কমিউটার ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে।
খবর পেয়ে রেলওয়ের প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতের কাজ শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ফাটল ধরা অংশে অস্থায়ী মেরামত সম্পন্ন হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৮টার দিক থেকে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মো. মাসুদ রানা জানান, "সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে ফাটলের খবর পাওয়ার পরপরই ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। আংশিক মেরামত শেষে বর্তমানে গতি নিয়ন্ত্রণ করে ট্রেন চালানো হচ্ছে। আটকে পড়া ট্রেনগুলো পর্যায়ক্রমে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।"
ঘটনাস্থলে কর্মরত রেলওয়ের মেট মোস্তাক আহমেদ জানান, আপাতত ভাঙা অংশটি দিয়ে ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ মেরামত শেষ হলে গতি পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় রেললাইনে ফাটল দেখা দেওয়ায় রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ প্রায় দুই ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন ছিল। এতে রাজশাহী ও আব্দুলপুর স্টেশনে অন্তত ছয়টি ট্রেন আটকা পড়লে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে জরুরি মেরামত শেষে বর্তমানে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার লোকমানপুর স্টেশন সংলগ্ন ২২৭/০ নম্বর রেল পিলারের কাছে এই ফাটল শনাক্ত হয়।
রেলওয়ে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত পরিদর্শনের সময় রেলকর্মীরা লাইনের ওই অংশে ফাটল দেখতে পান। বিষয়টি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, তিতুমীর এক্সপ্রেস, মধুমতী ও একটি কমিউটার ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে।
খবর পেয়ে রেলওয়ের প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতের কাজ শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ফাটল ধরা অংশে অস্থায়ী মেরামত সম্পন্ন হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৮টার দিক থেকে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মো. মাসুদ রানা জানান, "সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে ফাটলের খবর পাওয়ার পরপরই ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। আংশিক মেরামত শেষে বর্তমানে গতি নিয়ন্ত্রণ করে ট্রেন চালানো হচ্ছে। আটকে পড়া ট্রেনগুলো পর্যায়ক্রমে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।"
ঘটনাস্থলে কর্মরত রেলওয়ের মেট মোস্তাক আহমেদ জানান, আপাতত ভাঙা অংশটি দিয়ে ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ মেরামত শেষ হলে গতি পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন