সংবাদ

চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে ও রগ কেটে হত্যা


জেলা বার্তা পরিবেশক, বগুড়া
জেলা বার্তা পরিবেশক, বগুড়া
প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম

চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে ও রগ কেটে হত্যা
ছবি : সংবাদ

বগুড়া সদর উপজেলায় চোর সন্দেহে শামীম হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে রাতভর নির্যাতনের পর পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার নিশিন্দারা ইউনিয়নের বারপুর এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। এই হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের স্বজনেরা।

নিহত শামীম হোসেন বগুড়া সদর উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের চৌমুহনী এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বারপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে একটি দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসেছিলেন শামীম। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে তিনি ওই এলাকায় হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবিএম শাফিসহ কয়েকজন তাকে আটক করেন। স্বজনদের অভিযোগ, চোর সন্দেহে শামীমকে সারারাত বেধড়ক মারধর ও পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার পায়ের রগ কেটে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার খবর পাওয়া গেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে শামীমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে নিহতের স্বজন ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদের সামনের সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে ও রগ কেটে হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বগুড়া সদর উপজেলায় চোর সন্দেহে শামীম হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে রাতভর নির্যাতনের পর পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার নিশিন্দারা ইউনিয়নের বারপুর এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। এই হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের স্বজনেরা।

নিহত শামীম হোসেন বগুড়া সদর উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের চৌমুহনী এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বারপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে একটি দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসেছিলেন শামীম। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে তিনি ওই এলাকায় হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবিএম শাফিসহ কয়েকজন তাকে আটক করেন। স্বজনদের অভিযোগ, চোর সন্দেহে শামীমকে সারারাত বেধড়ক মারধর ও পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার পায়ের রগ কেটে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার খবর পাওয়া গেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে শামীমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে নিহতের স্বজন ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদের সামনের সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত