ঘুনে ধরা সমাজ, মাদকের নীল দংশন আর মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়–এমন সব বাস্তব চিত্র নিয়ে চাঁদপুরের মঞ্চে হয়ে গেল এক অনন্য নাট্য প্রদর্শনী। থিয়েটার ফোরাম চাঁদপুরের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে চলছে ১০ দিনব্যাপী নাট্যোৎসব। এই উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় মঞ্চস্থ হয়েছে চাঁদপুরের ইতিহাসে প্রথম একক অভিনীত নাটক ‘পুনর্জন্ম’।
পুরান বাজার নিতাইগঞ্জ অনুপম নাট্যগোষ্ঠীর এই পরিবেশনায় মঞ্চে একাই আলো ছড়ান অভিনেতা গোবিন্দ মন্ডল। জসীম মেহেদীর রচনা ও নির্দেশনায় নাটকটি দর্শকের সামনে সমাজের অন্ধকার দিকগুলোকে যেমন উন্মোচন করেছে, তেমনি শেষ পর্যন্ত মানুষের বিবেককে জাগিয়ে তোলার বার্তাও দিয়েছে।
নাটকটির প্রযোজনা অধিকর্তা ছিলেন মো. জসিম উদ্দিন খান বাবুল। সুরের মূর্ছনা ও আলোর খেলায় নাটকটিকে প্রাণবন্ত করে তোলেন কার্তিক সরকার। নির্বাহী প্রযোজনা ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অ্যাডভোকেট মুনিরা চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট ফারজানা আক্তার। এছাড়া মঞ্চ ও নাট্য সমন্বয়ে কাজ করেছেন পার্থ সারথি দে, সেলিম খান, মুহাম্মদ জাকারিয়া ভূঁইয়া ও জুলহাস আহমেদ জুয়েল। দেবশ্রী সাহা (খুশী) ও লিপি আক্তারের কোরিওগ্রাফি নাটকে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
চমৎকার এই পরিবেশনা উপভোগ করেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অনুপম নাট্যগোষ্ঠীর সভাপতি জসিম উদ্দিন খান বাবুল, জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুনিরা চৌধুরী এবং লেখক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব লিটন ভূঁইয়াসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শকরা পিনপতন নীরবতায় গোবিন্দ মন্ডলের অনবদ্য অভিনয় উপভোগ করেন এবং করতালিতে শিল্পীকে অভিবাদন জানান।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘুনে ধরা সমাজ, মাদকের নীল দংশন আর মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়–এমন সব বাস্তব চিত্র নিয়ে চাঁদপুরের মঞ্চে হয়ে গেল এক অনন্য নাট্য প্রদর্শনী। থিয়েটার ফোরাম চাঁদপুরের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে চলছে ১০ দিনব্যাপী নাট্যোৎসব। এই উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় মঞ্চস্থ হয়েছে চাঁদপুরের ইতিহাসে প্রথম একক অভিনীত নাটক ‘পুনর্জন্ম’।
পুরান বাজার নিতাইগঞ্জ অনুপম নাট্যগোষ্ঠীর এই পরিবেশনায় মঞ্চে একাই আলো ছড়ান অভিনেতা গোবিন্দ মন্ডল। জসীম মেহেদীর রচনা ও নির্দেশনায় নাটকটি দর্শকের সামনে সমাজের অন্ধকার দিকগুলোকে যেমন উন্মোচন করেছে, তেমনি শেষ পর্যন্ত মানুষের বিবেককে জাগিয়ে তোলার বার্তাও দিয়েছে।
নাটকটির প্রযোজনা অধিকর্তা ছিলেন মো. জসিম উদ্দিন খান বাবুল। সুরের মূর্ছনা ও আলোর খেলায় নাটকটিকে প্রাণবন্ত করে তোলেন কার্তিক সরকার। নির্বাহী প্রযোজনা ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অ্যাডভোকেট মুনিরা চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট ফারজানা আক্তার। এছাড়া মঞ্চ ও নাট্য সমন্বয়ে কাজ করেছেন পার্থ সারথি দে, সেলিম খান, মুহাম্মদ জাকারিয়া ভূঁইয়া ও জুলহাস আহমেদ জুয়েল। দেবশ্রী সাহা (খুশী) ও লিপি আক্তারের কোরিওগ্রাফি নাটকে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
চমৎকার এই পরিবেশনা উপভোগ করেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অনুপম নাট্যগোষ্ঠীর সভাপতি জসিম উদ্দিন খান বাবুল, জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুনিরা চৌধুরী এবং লেখক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব লিটন ভূঁইয়াসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শকরা পিনপতন নীরবতায় গোবিন্দ মন্ডলের অনবদ্য অভিনয় উপভোগ করেন এবং করতালিতে শিল্পীকে অভিবাদন জানান।

আপনার মতামত লিখুন