সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর (পে-স্কেল) সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধির এই সুবিধা এমপিওভুক্তদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়। তবে সে সময় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না আসায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করার পর সেই সংশয় দূর হলো।
বর্তমানে দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হিসেবে কর্মরত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় চার লাখ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে পৌনে দুই লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে ২৩ হাজারের বেশি জনবল রয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, পদ ও গ্রেডভেদে তাদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।
নতুন বেতন কাঠামোতে আগের মতোই ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। গ্রেডভেদে এই বৃদ্ধির হার প্রায় ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ।
বেতন বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়া একবারে কার্যকর না হয়ে তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বর্ধিত মূল বেতন কার্যকর শুরু হয়ে ২০২৭ সালের জুলাই মাসের মধ্যে তা পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে। তবে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতাগুলো ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বল্প আয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সুবিধার্থে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপেই মূল বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাকি অংশ ২০২৭ সালের মধ্যে দুই কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। অন্যদিকে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ সুবিধা দেওয়া হবে।
দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৃদ্ধির অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য এই ঘোষণা বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
\

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর (পে-স্কেল) সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধির এই সুবিধা এমপিওভুক্তদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়। তবে সে সময় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না আসায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করার পর সেই সংশয় দূর হলো।
বর্তমানে দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হিসেবে কর্মরত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় চার লাখ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে পৌনে দুই লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে ২৩ হাজারের বেশি জনবল রয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, পদ ও গ্রেডভেদে তাদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।
নতুন বেতন কাঠামোতে আগের মতোই ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। গ্রেডভেদে এই বৃদ্ধির হার প্রায় ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ।
বেতন বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়া একবারে কার্যকর না হয়ে তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বর্ধিত মূল বেতন কার্যকর শুরু হয়ে ২০২৭ সালের জুলাই মাসের মধ্যে তা পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে। তবে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতাগুলো ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বল্প আয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সুবিধার্থে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপেই মূল বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাকি অংশ ২০২৭ সালের মধ্যে দুই কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। অন্যদিকে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ সুবিধা দেওয়া হবে।
দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৃদ্ধির অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য এই ঘোষণা বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
\

আপনার মতামত লিখুন