বরিশাল জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বরাদ্দের ঘাটতি। জেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে থাকা মোট সড়কের বড় একটি অংশ এখনো কাঁচা। ফলে বর্ষা মৌসুমে কাদা মাড়িয়ে চলতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন জেলার কয়েক লাখ মানুষ।
বরিশাল এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১২ হাজার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ইটের কার্পেটিং বা এইচবিবি (HBB) সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৬০০ কিলোমিটার সড়কের। অর্থাৎ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা থেকে এখনো ৮ হাজার ৪০০ কিলোমিটার সড়ক পিছিয়ে আছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজ কার্যালয়ে এসব তথ্য জানান বরিশাল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরান। তিনি বলেন, 'ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যন্ত সংযোগ সড়কগুলোর বড় একটি অংশ এখনো কাঁচা বা আংশিক পাকা অবস্থায় রয়েছে। ১২ হাজার কিলোমিটারের মধ্যে মাত্র ৩ হাজার ৬০০ কিলোমিটারে কাজ হয়েছে। বাকি বিশাল অংশের উন্নয়ন করা জরুরি।'
প্রকৌশলী আল ইমরান আরও জানান, বর্ষা মৌসুমে কাঁচা সড়কগুলো চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্কুল-কলেজমুখী শিক্ষার্থী ও রোগীদের হাসপাতালে নিতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে বাকি সড়কগুলোর কাজ শেষ করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে গ্রামীণ সড়কের এমন বেহাল দশায় ক্ষোভ জানিয়েছেন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দারা। তাদের দাবি, দ্রুত বরাদ্দ বাড়িয়ে বাকি সড়কগুলোর কাজ শেষ করা হোক। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিও চাঙা হবে।
এলজিইডি সূত্র জানায়, আগামী অর্থবছরের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চিহ্নিত করে নতুন প্রকল্প প্রস্তাব ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে নতুন সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি বেশ কিছু কালভার্ট ও সেতুও রয়েছে। নতুন বাজেটে বরাদ্দ বাড়লে এসব কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ আল ইমরান নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন উপজেলার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে তৎপরতা বাড়িয়েছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে অবহেলিত গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে নিয়মিত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরিশাল জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বরাদ্দের ঘাটতি। জেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে থাকা মোট সড়কের বড় একটি অংশ এখনো কাঁচা। ফলে বর্ষা মৌসুমে কাদা মাড়িয়ে চলতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন জেলার কয়েক লাখ মানুষ।
বরিশাল এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১২ হাজার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ইটের কার্পেটিং বা এইচবিবি (HBB) সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৬০০ কিলোমিটার সড়কের। অর্থাৎ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা থেকে এখনো ৮ হাজার ৪০০ কিলোমিটার সড়ক পিছিয়ে আছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজ কার্যালয়ে এসব তথ্য জানান বরিশাল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরান। তিনি বলেন, 'ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যন্ত সংযোগ সড়কগুলোর বড় একটি অংশ এখনো কাঁচা বা আংশিক পাকা অবস্থায় রয়েছে। ১২ হাজার কিলোমিটারের মধ্যে মাত্র ৩ হাজার ৬০০ কিলোমিটারে কাজ হয়েছে। বাকি বিশাল অংশের উন্নয়ন করা জরুরি।'
প্রকৌশলী আল ইমরান আরও জানান, বর্ষা মৌসুমে কাঁচা সড়কগুলো চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্কুল-কলেজমুখী শিক্ষার্থী ও রোগীদের হাসপাতালে নিতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে বাকি সড়কগুলোর কাজ শেষ করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে গ্রামীণ সড়কের এমন বেহাল দশায় ক্ষোভ জানিয়েছেন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দারা। তাদের দাবি, দ্রুত বরাদ্দ বাড়িয়ে বাকি সড়কগুলোর কাজ শেষ করা হোক। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিও চাঙা হবে।
এলজিইডি সূত্র জানায়, আগামী অর্থবছরের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চিহ্নিত করে নতুন প্রকল্প প্রস্তাব ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে নতুন সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি বেশ কিছু কালভার্ট ও সেতুও রয়েছে। নতুন বাজেটে বরাদ্দ বাড়লে এসব কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ আল ইমরান নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন উপজেলার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে তৎপরতা বাড়িয়েছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে অবহেলিত গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে নিয়মিত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন