বগুড়ার শেরপুরে হঠাৎ করেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এত দিন ঢাকা কিংবা ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিরা আক্রান্ত হলেও, এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে জনমনে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, কেবল আগস্ট মাসেই শেরপুরে ৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের হিসাব ধরলে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আক্রান্তদের মধ্যে মির্জাপুর ইউনিয়নের ফিরোজ হোসেন (২৫) ও খানপুর ইউনিয়নের নায়েরখাগা গ্রামের আব্দুল সালাম (৩১) অন্যতম। স্থানীয়রা জানান, আব্দুল সালাম কখনোই ঢাকায় যাননি, তবুও তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। স্থানীয় পর্যায়ে সংক্রমণের এই বিষয়টি নিয়ে পুরো এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, ঢাকার মিরপুর ও বসুন্ধরায় কর্মরত বিপ্লব হোসেন ও রুবেল মাহমুদ জনি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়ি শেরপুরে ফিরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া বিপ্লব, আশা ও মামুন শেখসহ আরও বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিরুল ইসলাম বলেন, 'বিগত এক বছরে যে পরিমাণ ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গেছে, কেবল আগস্ট মাসেই তার চেয়ে বেশি (৪৫ জন) রোগী শনাক্ত হয়েছে। আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি।'

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুরে হঠাৎ করেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এত দিন ঢাকা কিংবা ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিরা আক্রান্ত হলেও, এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে জনমনে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, কেবল আগস্ট মাসেই শেরপুরে ৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের হিসাব ধরলে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আক্রান্তদের মধ্যে মির্জাপুর ইউনিয়নের ফিরোজ হোসেন (২৫) ও খানপুর ইউনিয়নের নায়েরখাগা গ্রামের আব্দুল সালাম (৩১) অন্যতম। স্থানীয়রা জানান, আব্দুল সালাম কখনোই ঢাকায় যাননি, তবুও তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। স্থানীয় পর্যায়ে সংক্রমণের এই বিষয়টি নিয়ে পুরো এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, ঢাকার মিরপুর ও বসুন্ধরায় কর্মরত বিপ্লব হোসেন ও রুবেল মাহমুদ জনি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়ি শেরপুরে ফিরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া বিপ্লব, আশা ও মামুন শেখসহ আরও বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিরুল ইসলাম বলেন, 'বিগত এক বছরে যে পরিমাণ ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গেছে, কেবল আগস্ট মাসেই তার চেয়ে বেশি (৪৫ জন) রোগী শনাক্ত হয়েছে। আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি।'

আপনার মতামত লিখুন