চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুটি মোটরসাইকেল, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার ফরিদপুর-গড়চাপড়া সড়কের ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা ভুক্তভোগীদের মারধর করে সড়কের পাশে একটি বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এ সময় দুই শিশুকে মারধর করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার মাগরিবের নামাজের পর ফরিদপুর গ্রামের বিপ্লব (৩২) মোটরসাইকেলে করে গড়চাপড়া যাচ্ছিলেন। ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ছয়জন মুখোশধারী ডাকাত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার গতিরোধ করে। তারা বিপ্লবের মোটরসাইকেল, মোবাইল ও নগদ ২ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। পরে তাকে পাশের একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে গামছা দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
এর কিছু সময় পর একই স্থানে ডাকাতির কবলে পড়েন গড়চাপড়া গ্রামের শুকুর আলী (৩০)। তিনি তার দুই শিশুসন্তান সজীব (৫) ও রাজীবকে (৩) নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। ডাকাতেরা তাদের থামিয়ে ডায়াং ৮০ সিসি মোটরসাইকেল ও সামান্য কিছু টাকা লুট করে। এমনকি শিশুদের জন্য থাকা তিন প্যাকেট খিচুড়িও ছিনিয়ে নেয় তারা। এ সময় শিশুরা কান্নাকাটি করলে ডাকাতেরা তাদের ও শুকুর আলীকে মারধর করে। পরে তাদেরও মেহগনি বাগানে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
শুকুর আলী জানান, প্রায় ১০ মিনিট বাঁধা অবস্থায় থাকার পর পাহারায় থাকা ডাকাত কিছুটা দূরে সরলে তিনি কৌশলে নিজের বাঁধন খুলে ফেলেন। এরপর দুই সন্তানকে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে গ্রামে গিয়ে খবর দেন। শুকুর আলীর পালিয়ে যাওয়ার খবরে ডাকাতেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়লে অন্য ভুক্তভোগী বিপ্লবও নিজের বাঁধন খুলে পালাতে সক্ষম হন।
একই স্থানে অল্প সময়ের ব্যবধানে এমন নৃশংস ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সন্ধ্যার পর ওই সড়কে চলাচল করতে মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুটি মোটরসাইকেল, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার ফরিদপুর-গড়চাপড়া সড়কের ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা ভুক্তভোগীদের মারধর করে সড়কের পাশে একটি বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এ সময় দুই শিশুকে মারধর করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার মাগরিবের নামাজের পর ফরিদপুর গ্রামের বিপ্লব (৩২) মোটরসাইকেলে করে গড়চাপড়া যাচ্ছিলেন। ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ছয়জন মুখোশধারী ডাকাত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার গতিরোধ করে। তারা বিপ্লবের মোটরসাইকেল, মোবাইল ও নগদ ২ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। পরে তাকে পাশের একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে গামছা দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
এর কিছু সময় পর একই স্থানে ডাকাতির কবলে পড়েন গড়চাপড়া গ্রামের শুকুর আলী (৩০)। তিনি তার দুই শিশুসন্তান সজীব (৫) ও রাজীবকে (৩) নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। ডাকাতেরা তাদের থামিয়ে ডায়াং ৮০ সিসি মোটরসাইকেল ও সামান্য কিছু টাকা লুট করে। এমনকি শিশুদের জন্য থাকা তিন প্যাকেট খিচুড়িও ছিনিয়ে নেয় তারা। এ সময় শিশুরা কান্নাকাটি করলে ডাকাতেরা তাদের ও শুকুর আলীকে মারধর করে। পরে তাদেরও মেহগনি বাগানে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
শুকুর আলী জানান, প্রায় ১০ মিনিট বাঁধা অবস্থায় থাকার পর পাহারায় থাকা ডাকাত কিছুটা দূরে সরলে তিনি কৌশলে নিজের বাঁধন খুলে ফেলেন। এরপর দুই সন্তানকে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে গ্রামে গিয়ে খবর দেন। শুকুর আলীর পালিয়ে যাওয়ার খবরে ডাকাতেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়লে অন্য ভুক্তভোগী বিপ্লবও নিজের বাঁধন খুলে পালাতে সক্ষম হন।
একই স্থানে অল্প সময়ের ব্যবধানে এমন নৃশংস ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সন্ধ্যার পর ওই সড়কে চলাচল করতে মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

আপনার মতামত লিখুন