জুলাইয়ের উত্তাল ছাত্র আন্দোলনের পর অবশেষে সুপ্রিম কোর্টে বড় আইনি সুরাহা পেল ককরোচ জনতা পার্টি। CJP-র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছাত্র ও প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক FIR খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। ২০ থেকে ২৫ জুলাইয়ের আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া মামলাগুলির ক্ষেত্রে আদালত কার্যত স্পষ্ট করে দিল–শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিবাদে অংশ নেওয়া মাত্রই কোনও ছাত্রের ভবিষ্যৎ নষ্ট করা যাবে না। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ Article 142-এর বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই নির্দেশ দেয়।
ঘটনার শুরু NEET-UG 2026-কে ঘিরে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা-ব্যবস্থার নানা অনিয়মের অভিযোগ থেকে। আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। জুলাইয়ে দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষও হয়। পরবর্তী সময়ে দিল্লি হাইকোর্টে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ ওঠে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াইও শুরু হয়।
এর মধ্যেই ২৫ জুলাই আসে রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বড় মোড়। লাগাতার আন্দোলন এবং CJP-র সঙ্গে কেন্দ্রের একাধিক দফা আলোচনার পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান২ পদত্যাগ করেন। তাঁর পদত্যাগের অন্যতম প্রেক্ষাপট ছিল NEET-UG প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা-ব্যবস্থার অনিয়ম নিয়ে তৈরি হওয়া তীব্র জনরোষ। CJP-র কাছে এটি ছিল আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবির বাস্তবায়ন।
কিন্তু আন্দোলন সেখানেই শেষ হয়নি। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরও সামনে আসে আরও কয়েকটি দাবি–প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত ঘটনায় প্রাণ হারানো ছাত্রদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ, আন্দোলনকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার এবং পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জবাবদিহি। CJP-র পক্ষ থেকে নিহত ছাত্রদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণের দাবিও তোলা হয়েছিল।
২৫ জুলাই সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পর আন্দোলন প্রত্যাহার করা হলেও পরবর্তী সময়ে FIR প্রত্যাহার এবং ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে ফের অসন্তোষ তৈরি হয়। সেই কারণেই CJP ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে নতুন করে বড় মিছিলের ডাক দেয়। এমনকি ৩১ আগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রস্তাবিত মিছিল বন্ধ করার আবেদনও সরাসরি মেনে নেয়নি। আদালত জানিয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখার দায়িত্ব প্রশাসনের এবং আপাতত মিছিল থেকে অনিবার্য অশান্তির আশঙ্কা দেখার মতো পরিস্থিতি নেই।
তারপরই আসে ১ সেপ্টেম্বরের নাটকীয় মোড়। সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র এবং দিল্লি, বিহার, অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট FIR প্রত্যাহারের আবেদন জানানো হয়। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, ২০ থেকে ২৫ জুলাইয়ের আন্দোলন-সংক্রান্ত ঘটনায় ভবিষ্যতে নতুন FIR দায়ের না করার বিষয়েও সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এরপর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চ Article 142 প্রয়োগ করে আন্দোলন-সংক্রান্ত FIR খারিজের নির্দেশ দেয়। আদালত স্পষ্ট করে যে, ওই প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার কারণে ছাত্র-যুবকদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। তবে গুরুতর অপরাধমূলক পূর্ব-রেকর্ড থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে; দিল্লি পুলিশের একটি FIR-এ এমন ২,৮৭৩ জনের বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়–দেশের অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একই সময়ের আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া FIR-গুলিও এগিয়ে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অর্থাৎ বিষয়টি শুধু দিল্লির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকল না; দেশজুড়ে আন্দোলনকারীদের আইনি অবস্থানেও বড় পরিবর্তন এল।
ক্ষতিপূরণের প্রশ্নেও আদালতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, NEET-UG 2026 বাতিলের পর যেসব ছাত্র আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ, তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নীতি তৈরি করা হবে। এই ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থার রূপরেখা তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
এই আইনি সুরাহার পরই CJP সুপ্রিম কোর্টকে জানায়–৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত দিল্লি মিছিল প্রত্যাহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ যে মিছিলকে সামনে রেখে ফের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত আর হচ্ছে না।
তবে পুরো ঘটনাকে শুধুমাত্র “সরকার হার মানল” বলে দেখলে ছবির একটি দিকই দেখা হবে। আইনি দিক থেকে বড় জয় পেয়েছে আন্দোলনকারীরা, কারণ FIR প্রত্যাহার এবং ক্ষতিপূরণের প্রক্রিয়া নিয়ে আদালতের নির্দেশ এসেছে। রাজনৈতিক দিক থেকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবির বাস্তবায়ন। আবার সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, ছাত্রদের স্বার্থ এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করাই তাদের অগ্রাধিকার।
সব মিলিয়ে জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন এখন সেপ্টেম্বরের শুরুতে এসে এক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাস্তায় আন্দোলন থেকে আদালতের লড়াই–দুই ক্ষেত্রেই CJP-র দাবিগুলির একাধিক অংশ বাস্তবায়নের পথে। আর সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই–ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি কত দ্রুত বাস্তবে পৌঁছবে, এবং NEET-সহ দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সরকার তা কীভাবে দূর করবে?
/

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জুলাইয়ের উত্তাল ছাত্র আন্দোলনের পর অবশেষে সুপ্রিম কোর্টে বড় আইনি সুরাহা পেল ককরোচ জনতা পার্টি। CJP-র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছাত্র ও প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক FIR খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। ২০ থেকে ২৫ জুলাইয়ের আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া মামলাগুলির ক্ষেত্রে আদালত কার্যত স্পষ্ট করে দিল–শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিবাদে অংশ নেওয়া মাত্রই কোনও ছাত্রের ভবিষ্যৎ নষ্ট করা যাবে না। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ Article 142-এর বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই নির্দেশ দেয়।
ঘটনার শুরু NEET-UG 2026-কে ঘিরে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা-ব্যবস্থার নানা অনিয়মের অভিযোগ থেকে। আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। জুলাইয়ে দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষও হয়। পরবর্তী সময়ে দিল্লি হাইকোর্টে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ ওঠে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াইও শুরু হয়।
এর মধ্যেই ২৫ জুলাই আসে রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বড় মোড়। লাগাতার আন্দোলন এবং CJP-র সঙ্গে কেন্দ্রের একাধিক দফা আলোচনার পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান২ পদত্যাগ করেন। তাঁর পদত্যাগের অন্যতম প্রেক্ষাপট ছিল NEET-UG প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা-ব্যবস্থার অনিয়ম নিয়ে তৈরি হওয়া তীব্র জনরোষ। CJP-র কাছে এটি ছিল আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবির বাস্তবায়ন।
কিন্তু আন্দোলন সেখানেই শেষ হয়নি। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরও সামনে আসে আরও কয়েকটি দাবি–প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত ঘটনায় প্রাণ হারানো ছাত্রদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ, আন্দোলনকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার এবং পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জবাবদিহি। CJP-র পক্ষ থেকে নিহত ছাত্রদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণের দাবিও তোলা হয়েছিল।
২৫ জুলাই সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পর আন্দোলন প্রত্যাহার করা হলেও পরবর্তী সময়ে FIR প্রত্যাহার এবং ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে ফের অসন্তোষ তৈরি হয়। সেই কারণেই CJP ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে নতুন করে বড় মিছিলের ডাক দেয়। এমনকি ৩১ আগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রস্তাবিত মিছিল বন্ধ করার আবেদনও সরাসরি মেনে নেয়নি। আদালত জানিয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখার দায়িত্ব প্রশাসনের এবং আপাতত মিছিল থেকে অনিবার্য অশান্তির আশঙ্কা দেখার মতো পরিস্থিতি নেই।
তারপরই আসে ১ সেপ্টেম্বরের নাটকীয় মোড়। সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র এবং দিল্লি, বিহার, অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট FIR প্রত্যাহারের আবেদন জানানো হয়। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, ২০ থেকে ২৫ জুলাইয়ের আন্দোলন-সংক্রান্ত ঘটনায় ভবিষ্যতে নতুন FIR দায়ের না করার বিষয়েও সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এরপর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চ Article 142 প্রয়োগ করে আন্দোলন-সংক্রান্ত FIR খারিজের নির্দেশ দেয়। আদালত স্পষ্ট করে যে, ওই প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার কারণে ছাত্র-যুবকদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। তবে গুরুতর অপরাধমূলক পূর্ব-রেকর্ড থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে; দিল্লি পুলিশের একটি FIR-এ এমন ২,৮৭৩ জনের বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়–দেশের অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একই সময়ের আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া FIR-গুলিও এগিয়ে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অর্থাৎ বিষয়টি শুধু দিল্লির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকল না; দেশজুড়ে আন্দোলনকারীদের আইনি অবস্থানেও বড় পরিবর্তন এল।
ক্ষতিপূরণের প্রশ্নেও আদালতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, NEET-UG 2026 বাতিলের পর যেসব ছাত্র আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ, তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নীতি তৈরি করা হবে। এই ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থার রূপরেখা তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
এই আইনি সুরাহার পরই CJP সুপ্রিম কোর্টকে জানায়–৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত দিল্লি মিছিল প্রত্যাহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ যে মিছিলকে সামনে রেখে ফের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত আর হচ্ছে না।
তবে পুরো ঘটনাকে শুধুমাত্র “সরকার হার মানল” বলে দেখলে ছবির একটি দিকই দেখা হবে। আইনি দিক থেকে বড় জয় পেয়েছে আন্দোলনকারীরা, কারণ FIR প্রত্যাহার এবং ক্ষতিপূরণের প্রক্রিয়া নিয়ে আদালতের নির্দেশ এসেছে। রাজনৈতিক দিক থেকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবির বাস্তবায়ন। আবার সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, ছাত্রদের স্বার্থ এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করাই তাদের অগ্রাধিকার।
সব মিলিয়ে জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন এখন সেপ্টেম্বরের শুরুতে এসে এক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাস্তায় আন্দোলন থেকে আদালতের লড়াই–দুই ক্ষেত্রেই CJP-র দাবিগুলির একাধিক অংশ বাস্তবায়নের পথে। আর সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই–ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি কত দ্রুত বাস্তবে পৌঁছবে, এবং NEET-সহ দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সরকার তা কীভাবে দূর করবে?
/

আপনার মতামত লিখুন